উজবেকিস্তান থেকে শূন্য হাতেই ফিরছেন বাদশারা

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৬:৫৮ পিএম, ০২ নভেম্বর ২০২১
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার 'ডি' গ্রুপের শেষ ম্যাচটি ছিল দুই দলের ভাগ্য নির্ধারক। হিসাব ছিল সহজ- এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে ওঠার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে জিততেই হবে। হিসাবটা নিজেদের করে নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দলটি। বাংলাদেশকে ৩-০ গোলে হারিয়ে পূরণ করেছে লক্ষ্য।

দুই দেশের শক্তির যে পার্থক্য তার প্রভাব শতভাগ ছিল মাঠে। উজবেকিস্তানের তাসখন্দের মাঠের এক অর্ধেই হয়েছে খেলা। বল বেশিরভাগ সময় ছিল বাংলাদেশের বক্স এবং বক্সের আশপাশে। ৩-০ ফলটা মাঠের চিত্র পুরো প্রকাশ করছে না, আরও বড় ব্যবধানেও জিততে পারতো প্রথম ম্যাচে কুয়েতের কাছে হারা সৌদি।

তিন ম্যাচে ১০ গোল হজম করেছে মারুফুল হকের দল। ভাগ্যিস উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৬-০ গোলের জয়টি হিসেবে থাকছে না। ঐ ম্যাচটি বাদ দিলে দুই খেলায় ৪ গোল হজম লাল-সবুজ জার্সিদের। টুটুল হোসেন বাদশাদের প্রাপ্তির খাতার পুরোটাই শূন্য।

দুই ম্যাচ জিতে গ্রুপ 'ডি' থেকে চূড়ান্ত পর্ব আগেই নিশ্চিত করেছে কুয়েত। এক ম্যাচ জিতে সেরা চার রানার্সআপ দলের একটি হওয়ার অপেক্ষায় সৌদি আরব। আগামী বছর উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপের মিশন বাছাইপর্বেই থেমে গেলো বাংলাদেশের।

ম্যাচের ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় সৌদি আরব, পরের মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। দুটি গোলের একটি উৎস কর্নার, অন্যটি ফ্রি কিক। প্রথমার্ধের মাঝামাঝিতেই বাংলাদেশের সম্ভাবনার কবর। বাকি সময়ে শুধু মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির যুবাদের খেলাই দেখেছে বাংলাদেশের যুবারা।

দ্বিতীয়ার্ধে একটির বেশি গোল খাইনি- ম্যাচের পর এতটুকুই সান্ত্বনা খুঁজতে পারে বাংলার যুবারা।

আরআই/এসএএস/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]