বিসিসিআইয়ে শেষ হচ্ছে শ্রীনিবাসন যুগ!
স্পট ফিক্সিংকাণ্ডের স্মৃতি এখনো দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপিএল)। সঙ্গে শ্রীনিবাসনের কালোছায়া থেকেও সরে আসার একটা তাড়না কাজ করে চলছে বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়াকে।
মঙ্গলবার বিসিসিআইয়ের বেশ কয়েকটি উপ-কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তাতে কোথাও শ্রীনিবাসনের পদ পদবি নেই। উল্টো শ্রীনিবাসনের সঙ্গে সু-সম্পর্কের কারণে বাদ পড়েছেন অনেকে।
জানুয়ারিতে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত থেকে বিসিসিআইয়ের নির্বাচনে নিষিদ্ধ তকমা পাওয়ার পর এসব উপ-কমিটিই ছিল শ্রীনিবাসনের শেষ ভরসা। তবে তাতে জায়গা না পাওয়ায় বিসিসিআইয়ে শেষ হচ্ছে শ্রীনিবাসন যুগ।
ট্যুর, প্রোগ্রাম ও ফিক্সচার কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন অন্ধ্র প্রদেশের বিজেপি সংসদ সদস্য জি গঙ্গারাজু। গঙ্গারাজুর সঙ্গে এদিকে আবার বিসিসিআই সেক্রেটারি অনুরাগ ঠাকুরের জমাট সম্পর্ক রয়েছে।
অন্য দুই কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন জ্যোতিরিন্দ্র শচিনদা ও চেতন দেশাই। এরা দুজনেই শ্রীনিবাসনকে দু’চোখে দেখতে পারেন না। বাকি দুই কমিটির প্রধান হয়েছেন রাজিব শুক্লা ও এমপি পন্ডভের সাথে শ্রীনিবাসনের সম্পর্ক মোটামুটি।
এদিকে, শ্রীনিবাসনের অনুগত সঞ্জয় প্যাটেল ও রঞ্জিব বিসওয়াল বাদ পড়েছেন উপ-কমিটি থেকে। প্যাটেলকে অবশ্য আগেই বাদ দেওয়া হয়েছিল তার ঘরের বোর্ড বরদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন থেকে।
অন্যদিকে শ্রীনিবাসনের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকাটাই কাল হলো রঞ্জিবের। বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট জগমোহন ডালমিয়া ও সেক্রেটারি অনুরাগ ঠাকুরের বক্তব্য, বোর্ডে সঠিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এমআর/বিএ/আরআইপি