এক গরুর সঙ্গে দুটি মহিষও কোরবানি দিচ্ছেন কাটার মাস্টার

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ০৯:৪৮ পিএম, ৩১ জুলাই ২০২০

কোরবানি নিয়ে শুরুতে একটু দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। করোনাভাইরাসের ভয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন না, অনলাইন থেকেও গরু পছন্দ হচ্ছিল না। কি কোরবানি করবেন, তা নিয়েই মূলতঃ দ্বিধা-দ্বন্দ্ব। যে কারণে প্রথমে সিদ্ধান্ত ছিল, গরু কিনতে না পারলে বাড়িতে থাকা দুটি মহিষেই কোরবানি করবেন তিনি।

তবে, শেষ পর্যন্ত একটি গরুও কেনা হয়েছে কোরবানির জন্য। এবং প্রাথমিক সিদ্ধান্ত থেকেও সরে আসেননি তিনি। কেনা গরুর সঙ্গে বাড়িতে পালন করা মহিষ দুটিও কোরবানি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার। কোরবানির উদ্দেশ্যেই মূলতঃ মহিষ দুটি পালন করা হয়েছিলো তার বাড়িতে।

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে কোরবানি শেষ মাংস বিলিয়ে দিবেন তিনি এলাকার দরিদ্র-অসহায় মানুষদের মাঝে।

মোস্তাফিজকে ঘিরে সব সময় কৌতুহলী ভক্ত-শুভাকাঙ্খিরা। সেই ভক্তদের জন্য এবার ভাবনার চেয়েও বেশি করতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ। অন্য বছর একটি কিংবা দুটি গরু কোরবানি দিলেও, এ বছর দুটি মহিষের সঙ্গে একটি গরু- মোট তিনটি পশু কোরবানি দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই পেসার।

মোস্তাফিজের ঘনিষ্ঠবন্ধু হাফিজুর রহমান হাফিজ জানান, ‘এ বছর দুটি মহিষ ও একটি গরু কোরবানি করছেন মোস্তাফিজ। অনেক খোঁজাখুজির পর মোস্তাফিজ নিজেই পারুলিয়া পশুর হাট থেকে এক লাখ ৭২ হাজার টাকা দিয়ে গরুটি কিনেছেন। এছাড়া বাড়িতে থাকা দুটি মহিষও কোরবানি দিচ্ছেন।’

হাফিজ বলেন, ‘কোরবানীর মাংস এলাকার অসহায় মানুষদের মাঝে বিলিয়ে দেবেন। কোরবানির সকল প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

আকরামুল ইসলাম/আইএইচএস/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]