প্রথম ফাইফারে তাসকিন-মোস্তাফিজকে কৃতিত্ব দিলেন নাহিদ

ক্রীড়া প্রতিবেদক
ক্রীড়া প্রতিবেদক ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:১৭ পিএম, ১১ মার্চ ২০২৬

ক্রিকেটের যে কোনো ফরম্যাটেই পাঁচ উইকেট নিয়ে বিশেষ কিছু। এরপর প্রথমবারের অনুভূতি নিশ্চয়ই আলাদা করে মনে থাকার কথা। সেখানে রীতিমতো আগুন ঝরিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়েও নাহিদ বিশেষ কিছু ‘ফিল’ করছেন না। বরং তার চাওয়া এই ভালো পারফরমেন্সের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। এই ফাইফারের কৃতিত্ব দিয়েছেন দুই সতীর্থ পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানকে।

বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে স্রেফ গুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। বলা ভালো একা নাহিদ রানাই পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার ধ্বসিয়ে দিয়েছেন। ৭ ওভার বোলিং করে মাত্র ২৪ রান খরচায় নিয়েছেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। এর আগে মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। রানার তোপে ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। পরে ২০৯ বল বাকি রেখেই জয় পায় টাইগাররা।

প্রথমবার ফাইফার, প্রথমবার ওয়ানডেতে ম্যাচসেরা তবু সংবাদ সম্মেলনে দেখা মিললো নির্লিপ্ত নাহিদ রানার। প্রথমবার ফাইফারের অনুভূতি কেমন প্রশ্নে তার সাবলীল উত্তর, ‘আলহামদুলিল্লাহ। সাধারণ অনুভূতি। বাট সামনে চেষ্টা করবো কিভাবে এই জিনিসটা লম্বা সময় ধরে রাখা যায়।’

ম্যাচে পাঁচ উইকেট শিকারের পেছনের নায়ক হিসেবে মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদকে কৃতিত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা। ম্যাচের ১০ম ওভারে বোলিংয়ে আসা নাহিদ রানা আগের ওভারগুলোতে দেখেছেন তাসকিন-মোস্তাফিজকে বোলিং করতে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘তাদের সাথে কথা বলছিলাম মাঠের মধ্যে যে উইকেটে কি হচ্ছে না হচ্ছে। তারা তখন বলল যে উইকেটে হিট করলে কিংবা লাইন-লেন্থ ঠিকঠাক রাখলে ব্যাটারদের জন্য খেলা কঠিন। আমি ওই জিনিসটাই শুধুমাত্র এক্সিকিউট করার চেষ্টা করেছি মাঠে।’

দারুণ বোলিং করা নাহিদ ম্যাচের পুরো সময় বোলিং করেছেন এক স্পেলে। অর্থাৎ ৭ ওভারই করেছেন একই স্পেলে। একজন পেসারের এতো লম্বা স্পেলে বোলিং করতে দেখাটা মোটেও স্বাভাবিক কিছু নয়।

এ নিয়ে নাহিদের ভাষ্য ছিল, ‘আমি সবসময় দলের জন্য চিন্তা করি। আমার কাছে আমার দল কি চায়। ওই জিনিসটা আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে সবসময় চেষ্টা করি। আমি তখন একটা জিনিসই চেষ্টা করছি যে, আমি তখন উইকেট পাচ্ছিলাম। তখন আমার বোলিং তাদের জন্য খেলা সমস্যা হচ্ছিল। আমি এই জিনিসটা লম্বা সময় কন্টিনিউ করার চেষ্টা করছিলাম। এর জন্য হয়তো অধিনায়ক চেষ্টা করছে যে আরও দুই-একটা ওভার করানো যায় কি না।’

পাকিস্তানকে এভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া আর সেটা সিরিজের প্রথম হওয়াতেই নাহিদ রানার কাছে এই জয় বিশেষ। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই প্রত্যেকটা ম্যাচেই জয় আমাদের জন্য বিশেষ। এই ম্যাচটাও। অবশ্যই প্রত্যেকটা সিরিজের যদি প্রথম ম্যাচ জিতি, অবশ্যই দলকে আরও বেশি আনন্দ দিতে পারে।’

এসকেডি/আইএইচএস/

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।