মাবিয়ার পর জিয়ারুল-মনিরাও মিস করছেন এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ

বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ০৭:২২ পিএম, ২০ এপ্রিল ২০২১

প্রথম দফা লকডাউন ঘোষণার পর এশিয়ান ভারোত্তলন চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে উজবেকিস্তান যাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। দেশসেরা এই নারী ভারোত্তলকের পর দ্বিতীয় দফার লকডাউন ভেঙ্গে দিলো জিয়ারুল ইসলাম ও মনিরা কাজীর উজবেকিস্তান যাওয়ার স্বপ্ন।

তিন ভারোত্তলক এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে না পারলেও বাংলাদেশের দুই কোচ ফারুক সরকার ও শাহরিয়া সুলতানা সুচি আগেই চলে গেছেন টুর্নামেন্টের শহরে। কারণ, তারা কেবল বাংলাদেশের তিন ভারোত্তলকের কোচই নন, টুর্নামেন্টর টেকনিক্যাল অফিসিয়ালও।

জিয়ারুল ইসলাম ও মনিরা কাজীর ফ্লাইট ছিল ২২ এপ্রিল সকাল ১০ টায়। পরেরদিন ছিল মনিরার ইভেন্ট। তার পরেরদিন জিয়ারুলের। ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের নিষেধাজ্ঞা বাড়ার পর তারা এই চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন।

গোপালগঞ্জের মেয়ে মনিরা কাজীকে ধরা হচ্ছে আগামীর মাবিয়া হিসেবে। এটি ছিল তার প্রথম এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ। যেতে না পারায় মন খারাপ তার, ‘আমার অনেক প্রত্যাশা ছিল প্রথমবার এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে খেলবো; কিন্তু পারলাম না। মন খারাপ হলেও কিছু করার নেই। কারণ, ফ্লাইট বন্ধ থাকলে যাবো কী করে?’

ভারোত্তলকদের সঙ্গে একজন কর্মকর্তারও যাওয়ার কথা ছিল। মনিরা কাজী জানিয়েছেন, ‘আমরা এখনো ফ্লাইটের টিকিট বাতিল করিনি। আমাদেরকে স্যার (অফিসিয়াল) বলেছেন, ২২ এপ্রিল পর্যন্ত দেখি, তারপর বাতিল করবো।’

সর্বশেষ এসএ গেমসে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকলেও চূড়ান্ত দলে জায়গা হয়নি মনিরা কাজীর। এর আগে তিনি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে কাতারে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ ইন্টারন্যাশনাল কাপে ভারোত্তলনে অংশ নিয়েছিলেন। প্রথমবারের মতো বড় টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার সুযোগ তার হাতছাড়া হচ্ছে লকডাউনের কারণে।

আইএইচএস/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]