পুরোনো ফোন ঘরে ফেলে রাখছেন? বিপদ ঘটতে পারে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:৩৭ এএম, ০৮ মার্চ ২০২৬
পুরোনো স্মার্টফোন শুধু ঝুঁকিপূর্ণই নয়, পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে

বর্তমানে প্রায় সবার হাতেই স্মার্টফোন। নতুন ফোন কিনলেই অনেকেই পুরোনো ফোনটি আলমারির ড্রয়ারে বা ঘরের কোনো কোণে ফেলে রাখেন। অনেক সময় সেই ফোনে থাকে পুরোনো ব্যাটারি, যা দীর্ঘদিন ব্যবহার না হলেও ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমনভাবে ঘরে পুরোনো ফোন ফেলে রাখা কখনো কখনো বড় দুর্ঘটনার কারণও হতে পারে।

স্মার্টফোনে সাধারণত লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাটারি দীর্ঘদিন ব্যবহার না হলেও ভেতরে রাসায়নিক বিক্রিয়া চলতে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটারি ফুলে যেতে পারে বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদি ফোনটি খুব গরম পরিবেশে রাখা হয় বা ব্যাটারিতে কোনো ত্রুটি তৈরি হয়, তাহলে শর্ট সার্কিট বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

অনেক সময় দেখা যায়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ফোন হঠাৎ চার্জ দিতে গেলে ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। এতে আগুন লাগা বা বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও থাকে। অনেকেই পুরোনো ফোন চার্জারসহ প্লাগে লাগিয়ে রেখে দেন বা সম্পূর্ণ চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ব্যবহার করেন না। আবার কেউ কেউ ভাঙা বা ফুলে যাওয়া ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও ফোনটি ঘরে রেখে দেন। এসব অভ্যাস ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

পুরোনো স্মার্টফোন শুধু ঝুঁকিপূর্ণই নয়, পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। এতে থাকা ব্যাটারি ও ইলেকট্রনিক উপাদানে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক থাকে, যা ভুলভাবে ফেলে দিলে মাটি ও পানির ক্ষতি করতে পারে। তাই ই-ওয়েস্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুরোনো ফোন নিষ্পত্তি করা সবচেয়ে ভালো উপায়।

কীভাবে নিরাপদ থাকবেন?
১. ফোনের ব্যাটারি ফুলে গেলে দ্রুত ব্যবহার বন্ধ করুন
২. দীর্ঘদিন ব্যবহার না করলে ফোনটি সম্পূর্ণ চার্জ দিয়ে সংরক্ষণ করুন
৩. খুব গরম বা আর্দ্র জায়গায় ফোন রেখে দেবেন না
৪. যদি ফোনটি আর ব্যবহার না করেন, তাহলে নিরাপদভাবে রিসাইক্লিং সেন্টারে জমা দিন
৫. ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাটারি ঘরে জমিয়ে রাখবেন না

আরও পড়ুন
বুক-স্টাইল ফোল্ডেবল ফোন আনলো মটোরোলা
ম্যাকবুক কেনার সময় যে কারণে অফিসিয়াল রিটেইলার বেছে নেবেন

কেএসকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।