বাইকের চাকায় কাঁটার মতো থাকে কেন?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৫:৩৮ পিএম, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাইক বা গাড়ি কেনার পর কিংবা টায়ার বদলে নতুন টায়ার নেওয়ার পর একটি বিষয় হয়তো খেয়াল করেছেন। নতুন টায়ারের সঙ্গে কাঁটার মতো রাবারের কিছু বাড়তি অংশ থাকে। অনেক সময় মনে প্রশ্ন আসে, এগুলো কী এবং এর কাজই বা কী? এগুলো কি টায়ারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়?

এই কাঁটার মতো অংশকে বলা হয় ‘রাবার স্পাইক’। স্পাইকগুলোর নির্দিষ্ট কাজ আছে। শুধু তা-ই নয়, এগুলোর বিশেষ নামও আছে। টায়ারে যে রাবার স্পাইকগুলো দেখতে পান; সেগুলোকে বলা হয় ভেন্ট স্পিউ। টায়ারের ক্ষমতা আরও মজবুত করতে স্পাইকগুলো ব্যবহার করা হয়।

জানেন কি, কেন স্পাইকগুলো বাইক বা গাড়ির চাকায় দেওয়া হয়? মূলত গাড়ি চালানোর সময় টায়ারে ওপর চাপের প্রভাব কমাতে ছোট ছোট স্পাইক বা কাঁটাগুলো দেওয়া হয়। আসলে কারখানায় যখন টায়ার বানানো হয়; তখন কিছু বাতাসের বাবল থাকে তার ভেতর। আশঙ্কা থাকে টায়ারের ভেতর বাতাসের পরিমাণ না কমে যায়। বাতাসের পরিমাণ কমে গেলে সেই টায়ার দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: নতুন লুকে এলো হিরো কারিজমার পুরোনো বাইক

এজন্যই রাবারের সূক্ষ্ম অংশগুলো টায়ারের সঙ্গে সংযুক্ত করে গাড়ি সংস্থাগুলো। যে কোনো বিপদ থেকে মুক্ত করতে অভ্যন্তরীণভাবে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে রাবার স্পাইকগুলো। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক কারণও আছে এর পেছনে। মূলত গাড়ি যখন রাস্তায় চলে; তখন রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণ হওয়ার কারণে টায়ার খুব গরম হতে শুরু করে। এ পরিস্থিতিতে টায়ার ঠান্ডা না করলে বিপদ হতে পারে। সে জন্য রাবার স্পাইকগুলো দেওয়া হয়। যাতে সেগুলো সর্বাধিক তাপ বাতাসে ছড়িয়ে দিতে পারে। যার ফলে টায়ারের ওপর অত্যধিক তাপ সৃষ্টি হয় না।

যদি স্পাইকগুলো না থাকে বা ক্ষয় হয়ে যায়, তাহলে বেশ কিছু সমস্যায় পড়তে হতে পারে। টায়ারে থাকা রাবার স্পাইকগুলো যদি ক্ষয়ে যায়, তাহলে যথারীতি টায়ারের ওপর চাপ তৈরি করবে। রাস্তার সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ উৎপন্ন হবে, তা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে না।

তাই যখনই নতুন কোনো মোটরসাইকেল বা গাড়ি কিনতে যাবেন; তখন অবশ্যই রাবার স্পাইকগুলো দেখে কিনবেন। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ আপনার বাইকের জন্য।

সূত্র: ক্যামেল টায়ার

কেএসকে/এসইউ/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।