এ বছরেই পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ জি চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৪৮ পিএম, ২৭ অক্টোবর ২০২১

চলতি বছরেই পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ জি চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইল দিয়ে ব্যবহার করেন। এ ক্ষেত্রে সব থেকে বড় যে প্রযুক্তির দরকার তা হলো ফোর-জি অন্তত থাকতে হবে। ফলে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিলো আমরা ফোর-জি সম্প্রসারণ করতে পারি কি না। আমরা ২০২০ সালে প্রায় সবগুলো অপারেটার দিয়ে ফোর-জি সম্প্রসারণ করতে পেরেছি। কিন্তু এখনো যান্ত্রিক কিছু অসুবিধা রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে এখন পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি। এটাকে আমরা ফাইভ-জি বলি। আপনারা জেনে খুশি হবেন ২০২১ সালের মধ্যে ফাইভ-জি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করবো। ২০২২ সালে আমরা এর সম্প্রসারণ করবো। আমরা আশা করবো ২০২২ সাল থেকেই আমাদের সব অপারেটর ফাইভ-জি প্রযুক্তি বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হবে।

প্রযুক্তিতে বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৮০টি দেশে সফটওয়্যার রফতানি করে। আমরা মোবাইল ফোন রফতানি করি। আমরা ল্যাপটপ এবং ডিজিটাল ডিভাইস রফতানি করি। এখন বাংলাদেশে যে মোবাইলের দরকার আছে তার প্রায় ৬০ ভাগ দেশে তৈরি হচ্ছে। স্মার্টফোন প্রায় ৮৫ শতাংশ দেশে তৈরি হচ্ছে।

মাথা ব্যথা হলে মাথা কেটে ফেলা সমাধান নয়
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আমি তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি, আমরা এই (কুমিল্লা) বিষয়ে ফেসবুককে অবহিত করেছি। আমরা এই ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায় ফেসবুককে দেই, সেটা যথোপযুক্ত না। তবে ফেসবুকেরও দায়-দায়িত্ব আছে। আমরা তাদেরকে যেসব ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল করার, সেই চেষ্টাটা করছি।

তিনি বলেন, এক সময় বাংলা পোস্ট বোঝার মতো সক্ষমতা তাদের (ফেসবুক) ছিল না। আমাদের চাপে তারা বাংলার জন্য বিশেষ মনিটরিং টিম নিয়োগ দিয়েছে। আমি মনে করি মাথা ব্যথার কারণে মাথা কেটে ফেললে সমাধান হবে না। ট্রিটমেন্ট দরকার। ট্রিটমেন্ট হল তাদের সতর্ক করা, এটা আমরা করছি।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমাদের হাতে যে প্রযুক্তি আছে আমরা লাইভ-ভিডিও নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। ইউটিউবসহ সোশ্যাল মিডিয়ার লাইভ ও ভিডিও যখন প্রয়োজন আমরা তখনই বন্ধ করতে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, ফেসবুকের সঙ্গে ২০১৮ সাল থেকে আলোচনা চলছে। আমি এখন পর্যন্ত ফেসবুকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি। বাংলাদেশে তাদের বিশাল বাজার। বালাদেশের পরিস্থিতি ফেসবুক-ইউটিউব বুঝতে পেরেছে। আমরা বিশ্বাস করি, একদিন তারা আমাদের রীতিনীতি অনুযায়ী চলবে এবং সব কাজ করবে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যতো ধরনের চাপ দেওয়া দরকার সেই চাপ অব্যাহতভাবে দেওয়া হচ্ছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে তারা ভ্যাট দেয়।

বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শাহেনুর মিয়া।

এমএএস/জেএইচ/কেএসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]