যে খাবার খেতে অপেক্ষা করতে হয় বছরের পর বছর

ভ্রমণ ডেস্ক
ভ্রমণ ডেস্ক ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২:০৪ পিএম, ০৯ মে ২০২২

বিখ্যাত এক দোকান। সেখানে পাওয়া যায় বিশেষ এক খাবার। তবে যে কেউ চাইলেই ওই খাবার খেতে পারবেন না। গরুর মাংস দিয়ে তৈরি খাবারটি খেতে একদিন কিংবা দুদিন নয়, সর্বোচ্চ ৩০ বছরও অপেক্ষা করতে হতে পারে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই যে, জাপানের তাকাসাগোর একটি কসাইয়ের দোকান ‘মিট অ্যান্ড ডেলিকেটসেন আসাহিয়া’র বিশেষ পদ ‘কোবে বিফ ক্রোকেট’ খেতে সময় গুনতে হয় বছরের পর বছর।

অনেকটা কাবাবের মতো দেখতে এই খাবারের স্বাদ অতুলনীয়। এ কারণেই জাপান ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ এই খাবার এতো ভালোবাসেন।

জানা যায়, ১৯১৮ সালে দোকানটি চালু করা হয়। এরপর থেকেই সেখানে তৈরি হয়ে আসছে গরুর মাংসের ক্রোকেট। দৈনিক এতো বেশি অর্ডার থাকে যে বছরের পর বছর সময় লেগে যেতে পারে এই পদের অর্ডারটি পেতে।

আসাহিয়ার এই গরুর মাংসের ক্রোকেট জাপানি ভোজনরসিকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। গত ২৮ এপ্রিল, হায়াসিনো নামক এক টুইটার ব্যবহারকারী তার এক পোস্টের মাধ্যমে জানান, কোবে বিফ ক্রোকেট অর্ডার দেওয়ার ৯ বছর পরে তিনি অবশেষে তা খেতে পেরেছেন।

যে খাবার খেতে অপেক্ষা করতে হয় বছরে পর বছর

তার এই পোস্টের নিচে অনেকেই নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন। তার মধ্যে একজন জানান, ২০৫২ সাল পর্যন্তও নাকি অর্ডার নেওয়া আছে দোকানটির। যদিও অনেকের কাছেই বিষয়টি অবিশ্বাস্য!

তবে ‘মিট অ্যান্ড ডেলিকেটসেন আসাহিয়া’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, কোবে বিফ ক্রোকেটের অর্ডার পেতে সর্বোচ্চ ৩০ বছর সময়ও গুনতে হতে পারে।

বিশেষ এই পদের দাম জানলে অবশ্য স্বস্তি পাবেন। এক প্যাকেটে ৫টি ক্রোকেট থাকে, যার মূল্য ২৭০০ ইয়েন বা ২১ মার্কিন ডলার।

‘মিট অ্যান্ড ডেলিকেটসেন আসাহিয়া’ ওয়েবসাইটের মতে, ক্রোকেট তৈরি করা খুবই পরিশ্রমের। প্রতিদিন মাত্র ২০০ পিস ক্রোকেট তারা তৈরি করতে পারেন। যা চাহিদার তুলনায় কিছুই নয়। তাই এই খাবার খেতে ইচ্ছুকদের অপেক্ষার সময় দিন দিন বাড়ছেই।

সূত্র: অডিটি সেন্ট্রাল/হাফিংটন পোস্ট

জেএমএস/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]