ঘুরে আসুন ঢাকার প্রাচীন মসজিদ : শেষ পর্ব


প্রকাশিত: ০৮:৩৭ এএম, ০৩ জুন ২০১৭

বহু আগে থেকেই ঢাকা ‘মসজিদের শহর’ হিসেবে খ্যাত। মোগল আমল থেকেই মসজিদের শহরে পরিণত হয় ঢাকা। এখনো এ শহরে নিত্য নতুন মসজিদ স্থাপিত হচ্ছে। এছাড়াও প্রাচীন আমলের অনেক মসজিদ খুঁজে পাওয়া যায়। মসজিদের শহরের প্রাচীন দশটি মসজিদ নিয়ে আজকের আয়োজন। আজ দেখুন শেষ পর্ব-

হাজী শাহবাজ মসজিদ
shahbaz
ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত প্রাচীন মসজিদ এটি। মোগল শাসনামলে শাহজাদা আযমের সময়কাল ১৬৭৯ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। হাজী শাহবাজ নামে অভিজাত ধনী ব্যবসায়ী মসজিদটি নির্মাণ করেন।

লালবাগ শাহী মসজিদ
lalbagh-shahi
লালবাগ শাহী মসজিদ ঢাকার লালবাগ কেল্লার পাশে অবস্থিত প্রাচীন মসজিদ। ১৭০৩ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন ঢাকার উপ-শাসক সম্রাট আওরঙ্গজেবের প্রপৌত্র ফররুখশিয়রের পৃষ্ঠপোষকতায় মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।

খান মহম্মদ মৃধার মসজিদ
khan-md
পুরান ঢাকার লালবাগের আতশখানায় অবস্থিত মসজিদটি। এটি ১৭০৬ খ্রিষ্টাব্দে নায়েবে নাযিম ফররুখশিয়রের শাসনামলে ঢাকার প্রধান কাজী ইবাদুল্লাহ’র আদেশে খান মহম্মদ মৃধা মসজিদটি নির্মাণ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করছে।

কসাইটুলি মসজিদ
kosaituli
পুরান ঢাকার কসাইটুলির কেপি ঘোষ সড়কের মসজিদটি ‘কাস্বাবটুলি জামে মসজিদ’ নামে পরিচিত। এর আরেক নাম ‘চিনির টুকরা মসজিদ’। হিজরি ১৩৩৮ সনে ব্যবসায়ী আবদুল বারি মসজিদটি নির্মাণ করেন।

বায়তুল মোকাররম
baitul-mukarram
পুরান ও নতুন ঢাকার মিলনস্থলে ১৯৫৯ সালে মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন তৎকালীন ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ ইব্রাহিম বাওয়ানি। পরবর্তীতে ১৯৬০ সালের ২৭ জানুয়ারি এই মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এ মসজিদে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের মূল অবকাঠামো মক্কা শরীফের কাবা’র মতো। এটি বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ।

এসইউ/আরআইপি

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]