ঈদের সময় ভ্রমণে সতর্কতা জরুরি


প্রকাশিত: ০১:১৭ পিএম, ০৬ জুন ২০১৭

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেই নাড়ির টানে ছুটে চলে সবাই। কখনো কখনো অসুস্থতায় এ আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। ক্লান্তিকর ও দীর্ঘ ভ্রমণ শেষে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশেষ করে শিশুরা বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে পরিবারের সবার আনন্দই মাটি হয়ে যায়। তাই কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে সহজেই এ সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে জেনে নিন আগেভাগেই-

প্রস্তুতি
যেখানে যাচ্ছেন, সেখানকার আবহাওয়া কেমন, কতদিন থাকবেন- এসব চিন্তা করে প্রস্তুতি নিন। এতে কম জিনিস বহন করা সম্ভব। আবার দরকারি সামগ্রীও যেন ফেলে না আসা হয়।

পোশাক
খুব বেশি আঁটসাঁট পোশাক পরবেন না। বরং হালকা, আরামদায়ক ও সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পোশাক নির্বাচন করুন।

eid

জুতা
এসময় মেয়েদের যতটা সম্ভব উঁচু হিলের জুতা এড়িয়ে ফ্ল্যাট জুতা পরা উচিত। আবার একেবারে নতুন জুতা পায়ে কোথাও রওনা হবেন না। এতে পায়ে ফোস্কা পড়তে পারে।

পানি
সুস্থ থাকতে পানি পান করার কোন বিকল্প নেই। এছাড়া সঙ্গে কেউ থাকলে তাকেও পর্যাপ্ত পানি পানে উৎসাহিত করুন। প্রস্রাবের ভয়ে পানি পান থেকে বিরত থাকবেন না।

eid

রোদ
সানবার্ন থেকে বাঁচতে সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। শিশুরা সবসময় ছাতার নিচে থাকতে রাজি না হলে বিকল্প হিসেবে হ্যাট পরাতে পারেন।

জরুরি
একটি নোটবুকে আপনার পরিচিত চিকিৎসক বা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফোন নম্বর ও ঠিকানা লিখে রাখুন। এতে দুর্ঘটনা মোকাবেলা করা সহজ হবে। এছাড়া কিছু প্রয়োজনীয় ওষুধ রাখতে পারেন।

ঘুমান
যদি মোশন সিকনেস থাকে, তবে মাথা ঘুরতে পারে। যা থেকে বমিও হতে পারে। এর থেকে রক্ষা পেতে বাইরের দিকে না তাকিয়ে চোখ বন্ধ রাখুন। সম্ভব হলে ঘুমান।

বই
যাত্রাপথে অনেকেরই বই পড়ে সময় কাটানোর অভ্যাস আছে। এটি একটি ভালো অভ্যাস। তাই সঙ্গে ভালো একটি বই নিন। পড়তে পড়তে গন্তব্যে পৌঁছে যান।

ব্যায়াম
বেশিক্ষণ একনাগাড়ে বসে থাকার প্রয়োজন হলে বিভিন্ন অসুবিধা দূর করতে কয়েকটা ব্যায়াম সম্পর্কে জেনে নিন। যা বসে বসেই করতে পারবেন।

খাবার
অপরিচিত কেউ কিছু দিলে খাবেন না। না হলে বড় কোন দুর্ঘটনায় পড়তে পারেন। এমনকি এর ফলে মৃত্যুও হতে পারে।

traveler

খেয়াল
ভ্রমণের সময় শিশু ও বৃদ্ধদের দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখুন। একেবারে ছোট দুগ্ধপোষ্য শিশু নিয়ে ভ্রমণ না করাই উচিত। তারা যথেষ্ট পরিমাণে পানি ও তরল খাবার খাচ্ছে কি না, সেদিকে সবসময় লক্ষ্য রাখুন।

রোজাদার
রোজা রেখে রওনা হলে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে কিছু খাবার সঙ্গে রাখুন, যেন ইফতারের সময় বাইরের খাবার খেতে না হয়। তবে বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে সঙ্গে প্লাস্টিকের প্যাকেট রাখুন।

গর্ভবতী
বিশেষ কিছু ক্ষেত্র ছাড়া অন্তঃসত্ত্বারা নিরাপদেই ভ্রমণ করতে পারেন। তবে দেহে ঝাঁকির উদ্রেক হয় এমন পথ যথাসম্ভব পরিহার করুন। প্রথম ৩ ও ৭ মাস বা ২৮ সপ্তাহ পেরোনোর পর ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।

এসইউ/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]