বিমানে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা দিল্লি

আরিফুল ইসলাম আরমান
আরিফুল ইসলাম আরমান
প্রকাশিত: ০১:৩০ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০১:৩৮ পিএম, ২০ জানুয়ারি ২০১৮
বিমানে বাংলাদেশ থেকে কলকাতা দিল্লি

ভ্রমণের শুরুটা ছিল বৃহস্পতিবার। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ফ্লাইট। আধা-বেলা অফিস করে ফ্লাইটের ৩ ঘণ্টা আগেই উবারে পৌঁছে গেলাম হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। দেশের অভ্যন্তরে বিমানে ভ্রমণ করেছি অনেকবার। দেশের বাইরে এবারই প্রথম।

বোর্ডিং পাশ সংগ্রহ

এয়ারপোর্টের ভেতরে রয়েছে এয়ারলাইন্স অনুযায়ী কাউন্টার। টিকিট অনুযায়ী চলে গেলাম নির্ধারিত কাউন্টারে। টিকিট ও পাসপোর্ট জমা দিয়ে সংগ্রহ করে নিলাম বোর্ডিং পাশ। কাউন্টারেই লাগেজ রেখে টোকেন দিয়ে দিলো। এই ফাঁকে পাসপোর্ট ও ভিসার তথ্য দিয়ে ইমিগ্রেশন ফরম পূরণ করে নিলাম।

ইমিগ্রেশন

এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন বিভাগের ভেতরে কয়েকটি ডেস্ক। এরকম একটি ডেস্কে গিয়ে ইমিগ্রেশন ফরম, বোর্ডিং পাশ ও পাসপোর্ট জমা দিলাম। ভারতে কয়দিন থাকবো জেনে পাসপোর্টে ডিপাচার সিল দিয়ে দিলেন ইমিগ্রেশন পুলিশ। ইমিগ্রেশন ফরমটি রেখে ফেরত দিলেন পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাশ।

অপেক্ষা বিমানের। বিমানবন্দর জুড়ে ডিসপ্লেতে ভেসে উঠছে কোন বিমান কখন ছাড়বে। বিমানে উঠার জন্য কত নাম্বার গেইটে যেতে হবে। ইউসিবি’র ক্রেডিট কার্ড থাকায় তাদের লাউঞ্জে দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম।

বিমান ছিল অন-টাইম। ৩০ মিনিটেই পৌঁছে গেলাম নেতাজী সুভাষ বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এখানেও পূরণ করতে হলো ইমিগ্রেশন ফরম। ইমিগ্রেশনে গিয়ে ইমিগ্রেশন ফরম, বোর্ডিং পাশ ও পাসপোর্ট জমা দিলাম। এবার পাসপোর্টে অ্যারাইভাল সিল দিয়ে দিলেন ইমিগ্রেশন পুলিশ। ইমিগ্রেশন ফরমটি রেখে ফেরত দিলেন পাসপোর্ট ও বোর্ডিং পাশ।

কলকাতা থেকে দিল্লি

৯টায় দিল্লীর ফ্লাইট। বাংলাদেশ থেকেই কলকাতা-দিল্লির টিকিট সংগ্রহ করেছিলাম। আবারো এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে লাগেজ দিয়ে বোর্ডিং পাশ নিয়ে নিলাম। দিল্লির বিমানের জন্য অপেক্ষা। বিমান অন-টাইমেই ছিল। দিল্লি এয়ারপোর্টে পৌঁছতে পৌঁছতে রাত ১২টা। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়েই উবার ডেকে নিলাম। মনে রাখবেন বাংলাদেশে ইন্সটল করা উবার অ্যাপটি বিশ্বের যে কোন দেশেই ব্যবহার করা যায়। ওয়োরুমস দিয়ে হোটেল আগে থেকেই বুকিং করা ছিল। এয়ারপোর্ট থেকে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম পাহারগঞ্জের সেই হোটেলে। হাল্কা নাস্তা করে ঘুম।

সকালে নাস্তা করেই বেরিয়ে পড়লাম ডলার থেকে রূপি করতে। মানি এক্সচেঞ্জ না পেয়ে এক ট্রাভেল এজেন্সিতেই রূপি নিয়ে নিলাম। এরপর রাতের দিল্লি-মানালির বাসের টিকিট সংগ্রহ ও সারাদিন ঘোরাঘুরির জন্য ট্র্যাক্সি ভাড়া করলাম। আমাদের প্লান ছিল এইচআরটিসি বাসে দিল্লি থেকে মানালি যাবো। কিন্তু ট্রাভেল এজেন্সির পরামর্শে ভলবো বাসের টিকিট সংগ্রহ করলাম। আর সারাদিন দিল্লি ঘুরে দেখার জন্য ১০০০ রূপিতে ভাড়া করলাম ট্যাক্সি।

আগামী পর্বে থাকছে দিল্লি ভ্রমণের আদ্যোপান্ত।

এএ/আইআই

বিনোদন, লাইফস্টাইল, তথ্যপ্রযুক্তি, ভ্রমণ, তারুণ্য, ক্যাম্পাস নিয়ে লিখতে পারেন আপনিও - jagofeature@gmail.com