৮ বছরে চাল উৎপাদন দ্বিগুণ করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪:০১ পিএম, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে চালের উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ করবে সরকার। এজন্য একটি কৌশলপত্র উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (ব্রি)।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্রি প্রণীত ‘বাংলাদেশে চালের উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণকরণ-ডিআরপি’ শীর্ষক কৌশলপত্র উপস্থাপন ও মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত সময়ের আগেই সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে সাফল্য দেখিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এসডিজির আগেই চালের উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ হবে। এটি স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এ দেশে প্রতি হেক্টরে মাত্র একটন চাল হতো। এখন হচ্ছে চারটন। ৫০ বছরে এটি চারগুণ হয়েছে। আগামী সময়ের মধ্যে দ্বিগুণ হবে সেটা অসম্ভব নয়।

স্বয়ংসম্পূর্ণতার পরেও চাল আমদানির প্রয়োজনীয়তার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, ফসল আবহাওয়া নির্ভর। মাঝে মাঝে উৎপাদন ব্যাহত হয়। তবে আমরা যে পরিস্থিতিতে রয়েছি, তাতে ৪৩ সালের মনন্তরের মতো লাখ লাখ মানুষ না খেয়ে মরার অবস্থা নেই। এখন কেউ না খেয়ে থাকে না।

খাদ্যের প্রাপ্যতা নয়, এসডিজি পূরণে বড় চ্যালেঞ্জ পুষ্টি নিশ্চিত করা বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমার পুষ্টিতে অনেক পিছিয়ে। এখন সেটা পূরণে কাজ করছি। দেশের ৭৮ ভাগ জমিতে শুধু ধান চাষ হচ্ছে, সেটা বহুমুখী করতে হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ব্রির কৌশলপত্র উপস্থাপন করেন ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

এনএইচ/এআরএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]