আজকের জোকস : গোবর খেলে বিশ ডলার পুরস্কার

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৩৫ এএম, ১৮ নভেম্বর ২০১৮

গোরব খেলে বিশ ডলার পুরস্কার
দুই অর্থনীতিবিদ। একজন অভিজ্ঞ ও অন্যজন অনভিজ্ঞ। কোন এক বিকেলে হাঁটছিলেন। দেখতে দেখতে তাদের সামনে পড়লো একটা গোবরের স্তুপ। অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ বললেন- ‘তুমি যদি স্তুপে থাকা গোবর খেতে পারো তাহলে তোমাকে আমি বিশ হাজার ডলার দেব।’

অনভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ চিন্তা করে দেখলেন, গোবর খেয়ে যদি বিশ হাজার ডলার পাওয়া যায় তো এই দুর্মূল্যের বাজারে তা-ই বা কম কিসের। অনেক লাভ-ক্ষতির হিসাব কষে শেষমেষ তিনি গোবর খেয়ে প্রতিশ্রুত অর্থ আদায় করে নিলেন।

কিছুদূর যেতেই আরেকটা গোবরের স্তুপ তাদের সামনে পড়লো। এবার অনভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ বললেন, ‘তুমি যদি স্তুপে থাকা গোবর খেতে পারো তা হলে তোমাকেও আমি বিশ হাজার ডলার দেব।’

এ কথা শুনে অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ ভাবলেন, কোনদিন তো বাজীতে হারিনি; কিছুক্ষণ আগে হেরে গিয়ে বিশ হাজার ডলার খোয়ালাম। বেইজ্জতের ব্যাপার! নাহ্, আমাকে ওই অর্থ ফেরত আনতেই হবে। অনেক হিসাব করে সে-ও স্তুপে থাকা গোবর খেয়ে বিশ হাজার ডলার ফিরে পেলেন।

চলার পথে অনভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ আক্ষেপের সুরে বলছেন, ‘খামোখাই কিন্তু আমরা গোবর খেলাম। আমাদের দু’জনের অর্থের অবস্থা আগের মতোই; কোন উন্নতিই হয়নি, একদম পরিবর্তনে অপরিবর্তনীয়।’

অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ একটা বিজ্ঞের হাসি দিয়ে জানান দিলেন, ‘উন্নতি হয়নি মানে? এরই মধ্যে ৪০ হাজার ডলারের মতো অর্থের লেনদেন হয়েছে সেটা কি কম কথা?’

****

প্রেমিক যখন পাঠাও চালক
প্রেমিকার বাড়ির সামনে প্রেমিকাকে ড্রপ করার সময় সামনে পড়ল প্রেমিকার বাবা। বাবা জিজ্ঞেস করলেন-
বাবা: ছেলেটা কেডা?
প্রেমিকা: আব্বা, পাঠাও চালক।
প্রেমিক: দিন একশ’ টাকা দিন।

টাকা নিয়ে যেতে যেতে ভাবলো, কিছুক্ষণ আগে ফুচকার দোকানে খরচ করা একশ’ টাকা সুদে-আসলে ফেরত পেলো।

****

হরিণের মাংসকে ভাবলো কুকুরের মাংস
এক নারী বাজারে গিয়ে দেখলেন হরিণের মাংস বিক্রি হচ্ছে। তিনি লোভ সামলাতে না পেরে ১ কেজি কিনে ফেললেন। বাড়ি এসে গুছিয়ে রান্না করে স্বামী ও ২ ছেলেকে নিয়ে একসাথে খেতে বসলেন। খেতে খেতে বড় ছেলে বলল-
বড় ছেলে: বাহ, মাংসটা তো দারুণ লাগছে। এমন স্বাদ আগে পাইনি। এটা কিসের মাংস মা?
মা: আমি বলব না, তোরা ভেবে বল কিসের মাংস। দেখি তোরা বলতে পারিস কিনা? যে পারবে তাকে আরও ২ পিস দেব।
স্বামী: সত্যিই ভীষণ সুস্বাদু মাংসটা, কিন্তু আমিও বুঝতে পারছি না। কিছু একটা ক্লু পেলে চেষ্টা করতে পারি।
নারী: ঠিক আছে একটা সংকেত দিচ্ছি। শোন, আমি তোদের বাবাকে প্রায়ই যে নামে ডাকি, তার সাথে মিল আছে।
ছোট ছেলে: ভাইয়া রে, একদম খাস না! এটা কুত্তার মাংস!

এসইউ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :