বিদ্যাসাগরের মজার ঘটনা: স্বর্গবাস

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩:১৯ পিএম, ২১ মে ২০২২

বাঙালি সমাজে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আজও এক প্রাতঃস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। আসল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামেও স্বাক্ষর করতেন তিনি। উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন।

সাহিত্যের জন্য পরিচিত হলেও বেশ রসিক মানুষ ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। কাছের মানুষদের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই মজা করতেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর অন্যদের নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে খুব ভালোবাসতেন। অতিথিকে পরিবেশন করার সময় প্রায়ই বলতেন, হু হু দেয়ং হাঁ হাঁ দেয়ং দেয়ঞ্চ করকম্পনে, শিরসি চালনে দেয়াং ন দেয়ং ব্যঘ্রঝম্পনে।

একবার এক সাব-জজ প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর পুনরায় বিয়ে করলে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাকে বললেন, তোমার তো মরার পরেই স্বর্গবাস!

সাব-জজ খুবই অবাক হলেন বিদ্যাসাগরের কথা শুনে। তারপর তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কেন বলুন তো পণ্ডিত মশাই?

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মুচকি হেসে বললেন, আমরা মরলে কিছুদিন নরক যন্ত্রণা ভোগ করে তারপর স্বর্গে যাব। কিন্তু তুমি এখন নরক ভোগ করবে। ফলে মরার পর সরাসরি স্বর্গে যাবে।

লেখা: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় পাঠক, আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের এ আয়োজনে। আপনার মজার (রম্য) গল্পটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়। লেখা মনোনীত হলেই যে কোনো শুক্রবার প্রকাশিত হবে।

কেএসকে/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]