মাহদী আমিন

সবার আগে সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন জিয়াউর রহমান

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৯:৪৩ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
টিএসসিতে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: আত্মপরিচয়ের উত্তরাধিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সবার আগে সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে জিয়াউর রহমান সেই স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং খুব স্বল্পসময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করেছিলেন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়াউর রহমানের কর্ম ও জীবন নিয়ে ‘কমল কুঁড়ি’ আয়োজিত ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: আত্মপরিচয়ের উত্তরাধিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির রাজনীতির সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ধারক ও বাহক হওয়া। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন মেজর হিসেবে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি যদি অসীম মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, তাহলে স্বাধীনতা আরও বিলম্বিত হতো।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে সারাবিশ্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছিলেন। পশ্চিমা বিশ্ব, জাতিসংঘসহ প্রতিটি জায়গায় বাংলাদেশকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য সার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের দেওয়া ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের স্বার্থ ও জনগণের ক্ষমতা। বিএনপি কোনো নির্দিষ্ট দেশের আনুকূল্য বা আধিপত্য চায় না। তাদের বিশ্বাস, রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস হতে হবে জনগণ।

সংস্কারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, জুলাই সনদে বিএনপি যে অবস্থানে, নোট অব ডিসেন্ট সহযোগে যেভাবে স্বাক্ষর করেছে, তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে। এটি কোনো ফাঁকা প্রতিশ্রুতি নয়, যতটুকু বলা হচ্ছে ততটুকু জনগণের সমর্থনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদ দিয়ে বিখ্যাত নন, জিয়াউর রহমান বিখ্যাত বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়ে। কারণ গণতন্ত্রের মানে হিউম্যান ডেমোক্রেসির একটা অন্যতম আবেদন আছে। আমি আমার পাশের লোককে, তার মতামতকে সহ্য করবো, দূরের মানুষের মতামতকে সহ্য করবো এবং অন্য মানুষকে ক্রিটিসাইজ করার আমার অধিকার আছে, ওই লোকদের আমাকে ক্রিটিসাইজ করার অধিকার আছে। এইভাবে উদারতা তৈরি হয়।

এফএআর/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।