প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবিরোধী কার্ড চাইলেন আসিফ মাহমুদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০:০৫ পিএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা/ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে চাঁদাবাজবিরোধী এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্ড চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘দেশের যে কোনো সমস্যা সমাধানে আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটাই কাজ করছেন, সেটা হচ্ছে কার্ড। বর্তমান বাংলাদেশের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতি। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তাহলে প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, আমাদের চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্ড দেন।‘

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবগঠিত আংশিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন।

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘জনগণের সেবা করার জন্য এনসিপির দরজা সবার জন্য খোলা থাকবে। গণহত্যাকারী এবং ফ্যাসিবাদের সহযোগী, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ ছাড়া বাকি সবার জন্য আমাদের দরজা খোলা থাকবে।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পর দেখছি এ সরকার ভয়ানকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নয়। এক্ষেত্রে তারা তো ব্যর্থ হয়েছেই, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা এ সরকারের জনগণের গণরায় বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দুর্বলতা দেখছি।’

‘সরকার একদিকে বলছে তেলের সর্বোচ্চ মজুত আছে, অন্যদিকে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লাইন পাম্পগুলোতে দেখছি। সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে। কিন্তু তারা বলছে, একে ছাপানো বলা যাবে না। তাহলে এটাকে ফটোকপি বা অন্য কিছু বলতে হবে না কি,’ যোগ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা এনসিপিকে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়তে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা এতটুকু নিশ্চয়তা দিতে চাই, যারা আমাদের ভোট দিতে আসবেন, তাদের একটা ভোটও আমরা নষ্ট হতে দেবো না। আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে শক্তিশালীভাবে পাহারা দেবো।’

অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এনএস/একিউএফ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।