কার হাতে যাচ্ছে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতৃত্ব


প্রকাশিত: ০২:২৬ পিএম, ১২ মে ২০১৫

কেন্দ্রীয় কমিটির মতো দুই বছরের জায়গায় চার বছর পূর্ণ করে অবশেষে আগামী ১১ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কাউন্সিল। শুক্রবার এমন ঘোষণা আসার পর থেকে শুরু হয়েছে পদ-প্রত্যাশীদের দৌঁড়ঝাপ। ছাত্র রাজনীতির আতুড় ঘর হিসেবে পরিচিত মধুর ক্যান্টিনেও তাদের তৎপরতা বেড়ে গেছে। সংগঠনের নীতি নির্ধারকদের কাছে ধন্না দিয়ে নিজের পক্ষে সর্মথন আদায়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন পদ-প্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশের যে কোন আন্দোলন সংগ্রামের মূল নেতৃত্বে থাকা এই ক্যাম্পাসের আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই কারোর। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে দেশের যে কোন ছাত্র সংগঠন থেকে শুরু করে অন্যান্য সংগঠনগুলোও একটু বেশীই নজর দিয়ে থাকে।

এদিকে পদ প্রত্যাশীরা ক্রমেই হয়ে উঠছে তৎপর। পদ প্রত্যাশীরা প্রকাশ্যে এবং লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে নিজের পক্ষে সর্মথন আদায়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা।

এদিকে কে হচ্ছেন আগামী দিনের জন্য ঢাবি ছাত্রলীগের প্রতিনিধি এ নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। দলের প্রতি আনুগত্যশীল, মেধাবী, পরিশ্রমী ও ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেয়া হবে বলে সংগঠনের কয়েকজন নীতি নির্ধারক সূত্রে জানা গেছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, জোর লভিংয়ে এবং সম্ভবনার দিক থেকে এগিয়ে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-সভাপতি আবুল খায়ের চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ রেজাউল ইসলাম রেজা, সাইফুর রহমান সাইফ, ইলিয়াস সানি, সাংগঠনিক-সম্পাদক আপেল মাহমুদ সবুজ, আসাদুজ্জামান শিকদার, আসাদুজ্জামান আসাদ, আদিত্য নন্দী, ছাত্র বৃত্তি সম্পাদক মাসুদুল আলম চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক লালন।

শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখার সভাপতি রিফাত জামান, সাধারণ সম্পাদক আল নাহিয়ান খান জয়, বঙ্গবন্ধু হলের সভাপতি দারুস সালাম শাকিল, সূর্যসেন হলের সভাপতি মোবারক হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক আরেফিন সিদ্দিক সুজন, এ এফ রহমান হলের সভাপতি সায়েম খান এবং সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন, জসীমউদ্দিন হলের সভাপতি মেহেদী হাসান রনি এবং সাধারণ সম্পাদক বি এম এতেশাম, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাধারণ সম্পাদক দিদার মুহাম্মদ নিজামুল হক, ফজলুল হক হলের সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসান, একুশে হলের সভাপতি রাকিব হাসান, শহিদুল­াহ হলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

কেন্দ্রীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের পর সব ক্ষেত্রে মূল্যায়িত হওয়া এই দুটি পদে যোগ্য ব্যক্তিদের বসাতেও কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানান তারা।

স্বল্প সময়ে কষা হতে পারে অনেক সমীকরণ। কিন্তু তার জন্য সকলকে অপেক্ষা করতে হবে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। অন্যদিকে ছাত্র সংগঠনের সকল নেতা-কর্মীদের আশা এমন ব্যক্তি আগামী দিনের জন্য এই ক্যাম্পাসের নেতৃত্বে আসবে যিনি হবেন ক্যাম্পাস রাজনীতিতে অভিজ্ঞ, সৎ-যোগ্য, দলীয় আদর্শে বিশ্বাসী, আনুগত্যশীল এবং নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন।

এমএইচ/এসকেডি/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।