বশেমুরবিপ্রবি’র শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ
প্রকাশিত: ১২:৫৮ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৭

গোপালগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে ৮ শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে ক্লাস বর্জন এবং একাডেমিক ভবনের পঞ্চম তলায়  ইংরেজি বিভাগের সামনে এ অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করে।

বহিষ্কৃত ৮ শিক্ষার্থী হলেন- ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টারের, চয়ন মল্লিক দ্বীপ, জাবির আহমেদ,  আব্দুল্লাহ আল নোমান, মাহবুবুর রহমান, মনিরা ইয়াসমিন, সজল সরকার, আজাদ আলী ও মাসুদ রানা।

ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানায়, গত ৩১ জুন বিভাগের শিক্ষার্থী চয়ন মল্লিক দ্বীপ ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান আশিকুজ্জামান ভূইয়াকে জড়িয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়।

এ ঘটনায় ১ জুলাই চয়ন মল্লিককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর প্রতিবাদে ওই বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষা দেয়া থেকে বিরত থাকে এবং একপর্যায় চয়নের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা কোনো পরীক্ষায় অংশ নেবে না বলে জানায়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে য়ায়। গত ৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর একই দাবিতে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে।

পরে গতকাল সোমবার (১৭ জুলাই) একই দাবিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা চয়ন মল্লিকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবিতে ক্লাস বর্জন ও অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করে।

এ সময় তারা শ্রেণি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়। অপরদিকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দান ও ফেসবুকে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারের  অপরাধে ওই বিভাগের এমএ দ্বিতীয় সেমিস্টারের অপর ৭ শিক্ষার্থীকে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না দেয়ার জন্য একাডেমিক কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এতে ফুঁসে ওঠে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

এস এম হুমায়ুন কবীর/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।