তিন মাসেও দেয়া হয়নি সাতদিনের তদন্ত প্রতিবেদন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বাকৃবি
প্রকাশিত: ১১:৩৬ এএম, ২০ জুলাই ২০১৭

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ছাত্রফ্রন্টের দলীয় কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্র ফ্রন্টের দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় গত ২৮ এপ্রিল কার্যালয়টি সিলগালা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয প্রশাসন।

পরবর্তীতে প্রশাসন ছাত্রফ্রন্টের দুই দলের সঙ্গে বসে কার্যালয় খুলে দেয়ার কথা বলেলেও আড়াই মাসের অধিক সময়ে কোনো সুরাহা হয়নি।

গত ৭ এপ্রিল দুই দলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বরাবার সতর্কবার্তা পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তীতে ১৭ এপ্রিল ঘটনার তিন সপ্তাহ পর তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন।

সাতদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার কথা থাকলে ও তা প্রকাশ পায়নি। এদিকে দলীয় কার্যালয় না থাকায় সংঘঠনের কার্যক্রম পরিচালনায় অসুবিধা হচ্ছে বলে জানান দল দুটির সভাপতি।

এ বিষয়ে বাকৃবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্কসবাদী) সভাপতি রাফিকুজ্জামান ফরিদ বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমরা কার্যলয়টি ব্যবহার করে আসছি। ছাত্রফ্রন্টের বাসদপন্থী সংগঠন গত ২৭ ও ২৮ এপ্রিল অনৈতিকভাবে আমাদের কার্যালয় দখল করতে আসে ও আমাদের ওপর হামলা চালায়। পরে প্রশাসন কার্যালয়টি সিলগালা করে দেয়। পরবর্তীতে আমরা ধারবাহিকভাবে কার্যালয়টি খুলে দিতে ও হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। কার্যালয় বন্ধ রেখে ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

এ বিষয়ে বাকৃবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট্রের (বাসদপন্থী) সভাপতি সৌরভ দাস বলেন, কার্যলয়টির দাবিদার আমরা। সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে যুক্তি ও যথাযথ কাগজপত্র দেখিয়েছি। বিষয়টির দ্রুত সমাধান চাই।

জানতে চাইলে প্রক্টর অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত না হওয়ায় বিলম্বিত হচ্ছে। ছাত্রফ্রন্টের নেতারা আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে। আশা করি দ্রুত বিষয়টি সুরাহা হবে।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সভাপতি কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামকে মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করা হলে কল কেটে দেন এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

পরে চেম্বারে গেলে বলেন তদন্ত শেষের দিকে। দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে। প্রতিবেদন সাত কার্যদিবসের মধ্যে দেয়ার নিয়ম থাকলেও এত বিলম্ব কেনো-জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি বলেন, আমি উত্তর দিতে বাধ্য নই।

মো. শাহীন সরদার/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।