ভর্তির দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও অনশনে ৬ ভর্তিচ্ছু

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গোপালগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৮:০৭ পিএম, ২৮ অক্টোবর ২০২০

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশন করছেন ভর্তি পরীক্ষায় অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা ছয় শিক্ষার্থী।

অনশনরত শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ.কিউ.এম মাহবুব তাদের মুঠোফোনে অনশন বন্ধ করে রোববার দেখা করার আহ্বান জানান। কিন্তু তারা ভর্তির নিশ্চয়তা না পাওয়ায় উপাচার্যের প্রস্তাবে সম্মত হননি এবং তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবেন।

এ বিষয়ে ই ইউনিটের অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থী মো. মিলন আলী বলেন, আমরা ইতোপূর্বে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলেছি৷। তারা বলেছিলেন পরবর্তীতে ভর্তি নেয়া হবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেটা হয়নি। পরে আমরা নতুন উপাচার্য যোগদানের পর তাকে চিঠি দেই, কিন্তু তিনিও কোনো পদক্ষেপ নেননি। এ কারণে আমরা ভর্তির দাবিতে আমরণ অনশন করছি।

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির প্রধান প্রফেসর ড. এম.এ সাত্তার এ বিষয়ে জাগো নিউজকে বলেন, আমরা মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থীদের ভর্তি নেয়ার পরও তিনবার ওয়েটিং তালিকা থেকে শিক্ষার্থীদের ডেকেছি। এমনকি তৃতীয়বার শিক্ষার্থীদের বাড়িতেও ফোন দিয়েছি। কিন্তু এরপরও আসন ফাঁকা ছিল। যেহেতু তিনবার ওয়েটিং তালিকা থেকে শিক্ষার্থীদের ডাকার পরও সিট খালি ছিল এবং আমাদের শিক্ষক সংকট, রুম সংকটসহ বিভিন্ন সংকট ছিল; তাই ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটি মিটিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয় আর কোনো শিক্ষার্থী ডাকা হবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা যেহেতু কাউকে ডাকিনি এর অর্থ আমরা আর কাউকে ভর্তি নেব না। এক্ষেত্রে পৃথকভাবে ভর্তি বন্ধের নোটিশ দেয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বিষয়টি নিয়ে আমাদের যারা কল দিয়েছিল তাদেরও জানিয়ে দিয়েছি আর কাউকে ভর্তি নেয়া হবে না।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ.কিউ.এম মাহবুব বলেন, তাদের দাবি যদি যৌক্তিক হয় এবং রিজেন্ট বোর্ডে অনুমতি দেয়া হয় তাহলে আসন ফাঁকা থাকা সাপেক্ষে ভর্তি না নেয়ার কারণ নেই।

প্রসঙ্গত, বশেমুরবিপ্রবিতে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফাঁকা আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ভর্তির দাবিতে ২৭ অক্টোবর থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন এবিইএফ এবং এইচ ইউনিটের আট শিক্ষার্থী।

এমএএস/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]