গোপনে রাতে বাসভবন ছাড়লেন হাবিপ্রবির ভিসি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি দিনাজপুর
প্রকাশিত: ০১:০৪ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

ছাত্রলীগের একাংশের বিক্ষোভের মুখে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ‘কাউকে না জানিয়ে’ মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) রাতের আঁধারে বাসভবন ছাড়লেন দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মু. আবুল কাশেম। যাওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদারকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে একটি নোট রেখে গেছেন বলেও জানা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য প্রফেসর ড. মু. আবুল কাশেমের মেয়াদ রয়েছে আর মাত্র ১৮ দিন। মেয়াদ পূর্তির এই শেষ সময়ে আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়। নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈরী আচরণ, ক্লাস-পরীক্ষা চালুসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ভিসির বাসভবনের ভেতরে দিনভর অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয় পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন।

পরে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের দরজায় বসে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত অনড় থাকার ঘোষণা দেন তারা। তারা জানায়- বিভিন্ন দাবিতে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলতে আসলেও বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি দেখা করেননি এবং কথাও বলেননি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক বলেন, মঙ্গলবারের ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা হয়। সন্তোষজনক সমাধানও হয়। কিন্তু সকালে জানতে পারি তিনি রাত সাড়ে ৩টায় তার পরিবার নিয়ে বাসভবন ছেড়ে চলে গেছেন। যাওয়ার আগে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র হালদারকে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে একটি নোট রেখে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার সময় উপাচার্য আমাকে ফোনে জানিয়েছেন তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি ঢাকায় চলে গেছেন। কিন্তু বিষয়টি আমরা কেউ নিশ্চিত নই তিনি কোথায় গেছেন।

এ ব্যাপরে জানতে হাবিপ্রবি উপাচার্যের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

এমদাদুল হক মিলন/এসজে/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]