রাবির কবরস্থানে নিরাপত্তা জোরদার

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক ক্যাম্পাস প্রতিবেদক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ১২:৫৫ এএম, ১০ জানুয়ারি ২০২২

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কবরস্থানে মাদকসেবীদের আসর বন্ধ করতে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার (৯ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লিয়াকত আলী।

এর আগে রাবির কবরস্থানে প্রতিনিয়ত বসতো মাদকের আড্ডা, এমনকি জুয়ার আসরও। নির্জনতাকে পুঁজি করে স্থানীয় মাদকসেবীরা পবিত্র এই স্থানটিকে মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছিল।

গত শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজে ‘‘রাবির কবরস্থান যেন ‘মাদকসেবীদের আখড়া’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এর পর কবরস্থানের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লিয়াকত আলী বলেন, কবরস্থানের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে জানতে পেরে আমরা প্রক্টোরিয়াল বডি তখনই সেখানে যাই। আরএমপি ও চদ্রিমা থানাকে জানিয়েছি, তারা এনিয়ে কাজ করছে। কবরস্থানের উত্তর-পশ্চিম পাশের দেয়াল ভেঙে যাওয়ায় মাদকসেবীরা আস্তানা গড়ার সুযোগ পেয়েছে। আমরা প্রধান প্রকৌশলীকে বলে দুটো দেয়াল সংস্কারের কাজ এবং কবরস্থানের চারপাশে পর্যাপ্ত লাইটের ব্যবস্থা করতে কাজ করছি। নিরাপত্তারক্ষীদের দায়িত্বে আরও সচেতন হওয়ার কথাও বলেন তিনি।

প্রক্টার আরও বলেন, আমি এবং আমার প্রক্টোরিয়াল বডি মাদকের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অনেকগুলো জায়গাকে আমরা মাদকমুক্ত করেছি এবং আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

কবরস্থানে পাশে অবস্থিত চন্দ্রিমা থানার পরিদর্শক এমরান হোসেন বলেন, আমরা প্রতিদিন কবরস্থানে অভিযান পরিচালনা করছি এবং আজকেও আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা মাদকের ব্যাপার নিয়ে খুবই সচেতন। দোষীদের হাতেনাতে পেলেই আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

উল্লেখ্য, রাবির কবরস্থানের উত্তর-পশ্চিম পাশের দেয়াল ঘেঁষে যথারীতি আস্তানা গেড়ে মাদক সেবন করে আসছিল স্থানীয় বখাটেরা। বড় আকারে গর্ত করে মাদকদ্রব্যের উচ্ছিষ্ট রাখার ব্যবস্থাও করেছিল তারা। ফেনসিডিল, গাঁজা, মদ ও ইয়াবা সেবনের নানা উপকরণে ছিল ভর্তি সেই গর্ত। প্রতিদিন সন্ধ্য গড়ালেই শুরু হতো তাদের এসব কর্মকাণ্ড এবং চলতো মধ্যরাত পর্যন্ত।

কেএসআর/

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]