সাত খুন মামলায় দুই র্যাব সদস্যের সাক্ষ্য গ্রহণ
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলায় র্যাব-১১ এর আরো দুই সদস্যের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ২০ জুন পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত র্যাব-১১ এর দুই সদস্য কর্পোরাল অফিসার জাহাঙ্গীর আলম, বোল্ডার পলাশ নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাক্ষ্য দেন।
এর আগে সকালে সাত খুনের দুটি মামলায় গ্রেফতারকৃত নূর হোসেন, র্যাবের চাকরিচ্যুত তিনজন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ, এমএম রানা ও আরিফ হোসেনসহ ২৩ জনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সোমবার দুইজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ২০ জুন পরবর্তী শুনানীর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল হলেন নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি হলেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী। দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী ১২৭ জন করে। এ কারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এ মামলায় নূর হোসেন ও র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছেন।
শাহাদাত হোসেন/এফএ/আরআইপি