তাহিরপুরে দুই চোরাচালানী গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫


প্রকাশিত: ০৮:১১ এএম, ২৬ জুন ২০১৬

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে চুনাপাথর ও বল্ডার মরাপাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই চোরাচালানী গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছেন।

এদের মধ্যে গুরুতর আহতরা হলেন, আসাদ মিয়া (২৬), জাকির মিয়া (২৯), দিন ইসলাম (২৩), আব্দুর রহিম (৩৮), রফিক মিয়া(৩৫) ও সাত্তার মিয়া(৪০)। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতি ট্রলি চুনাপাথর ও বল্ডার মরা পাথর থেকে টেকেরঘাট ও বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের নামে ১৬০ টাকা করে চাঁদা নিয়ে বিজিবির সোর্স জিয়াউর রহমান জিয়া, ইদ্রিস আলী, আব্দুল হাকিম ভান্ডারী ও সোনালী মিয়া প্রতিদিনের মতো গতকাল রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার টেকেরঘাট কোম্পানীর বালিয়াঘাট সীমান্তের লাকমা ছড়া দিয়ে চোরাচালানীদের ভারতে পাঠায় বল্ডার মরা পাথর ও চুনাপাথর পাচাঁর করার জন্য।

ভারত-বাংলাদেশের জিরো থেকে ১৫০ গজ দূরে উভয় দেশের লোকজন অবস্থান করার নিয়ম থাকলেও জিরো পয়েন্ট অতিক্রম করে ভারতের ভিতরে গিয়ে পাথর উত্তোলন করা নিয়ে লাকমা গ্রামের চোরাচালানী দিন ইসলাম ও জাকির মিয়ার মধ্যে কথা কাটাকাটি ও এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। তারই জের ধরে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় ইট-পাথর নিক্ষেপে উভয়পক্ষের ১৫ জন আহত হয়।

এ ব্যাপারে টেকেরঘাট কোম্পানির দায়িত্বে থাকা কোম্পানি কমান্ডার রশিদ বলেন, আমি জরুরী কাজে বাইরে আছি। তাই এবিষয়ে এখনও খবর পাইনি।

তাহিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এফএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।