আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষিণাঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে


প্রকাশিত: ১২:০১ পিএম, ২৬ জুন ২০১৬

কৃষকের মাঠে নতুন জাতের ধান চাষে ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ করে ধানের ফলন কৃষক পর্যায়ে ৮-১০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। পিরোজপুর-গোপালগঞ্জ-বাগেরহাট সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (আইএডিপি-পিজিবি) এর আওতায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার কৃষক উক্ত প্রকল্পের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন।

ফলে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর ও বাগেরহাটে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকের ঘরে খাদ্যের নিরাপত্তা তথা চালের নিশ্চয়তা প্রদান করা সম্ভব হয়েছে।
 
রোববার সকালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত পিজিবিআই এডিপির ২য় কনফারেন্সে ধান বিজ্ঞানী, কৃষি সম্প্রসারণবিদ, বারি, এসআরডিআই, বিএডিসি, ডিএএম এর বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাবৃন্দ এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

বিরির মহাপরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, বিরি উদ্ভাবিত হাইব্রিড ধানের জাতগুলোর বীজ কৃষক পর্যায়ে উৎপাদন করলে কেজি প্রতি মাত্র ১০০ টাকায় হাইব্রিড বীজ কৃষকের মাঝে বিক্রয় করা সম্ভব হবে। যেখানে বাজারে বিদেশী হাইব্রিড ধানের বীজ কেজি প্রতি ৩০০-৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এতে স্থানীয়ভাবে বীজ উৎপাদনকরী কৃষকরা যেমন লাভবান হবে তেমনি ভেজাল হাইব্রিড বীজ ক্রয়ের সম্ভাবনা থেকে কৃষকরা রক্ষা পাবে।
 
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খায়রুল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিরির মহাপরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিরির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. শাহজাহান কবীর, পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. আনছার আলী এবং প্রকল্প সমন্বয়কারী পরিচালক মোহাম্মদ মহসীন।
    
আমিনুল ইসলাম/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।