টাঙ্গাইল

দুই ঠিকাদারের ঠেলাঠেলিতে আটকা ২০ ফুট রাস্তা, দুর্ভোগে শহরবাসী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ১০:২৬ এএম, ১০ জানুয়ারি ২০২৬

টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম ব্যস্ততম পয়েন্ট শান্তিকুঞ্জ মোড়। শহরের আদি টাঙ্গাইল, বেপারীপাড়া, বাজিতপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম এই সড়কটি। অথচ মাত্র ২০ ফুট রাস্তার কাজ শেষ না হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুই ঠিকাদারের ঠেলাঠেলি আর সমন্বয়হীনতায় সড়কের এই সামান্য অংশটুকুই এখন শহরবাসীর জন্য ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ২০ ফুট রাস্তার অসমাপ্ত কাজের কারণে যত্রতত্র গাড়ীঘোড়ার জ্যাম লেগেই থাকে। খানা খন্দকে ভরা চলতি পথে অটোরিকশা কিংবা সিএনজির উলটে যাওয়া নিত্যদিনের ব্যাপার এখন। এছাড়া এই সড়কে দেলদুয়ার, পাকুটিয়া হয়ে মানিকগঞ্জ কিংবা মির্জাপুরের পাকুল্যা হয়ে ঢাকা যাওয়ার রাস্তা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ দিনের চাহিদার পর ২০২০ সালে শান্তিকুঞ্জ মোড় হয়ে দেলদুয়ার রোডটি ঢালাইয়ের শক্ত রাস্তা তৈরি হয়। এর পর ২০২৪ সালে পাশেই মেইন রোড হয়ে বেবীস্ট্যান্ডগামী রাস্তাটিও ঢালাইয়ের মাধ্যমে মজবুত করে তৈরি করা হয়। তবে দুই ঠিকাদারের ঠেলাঠেলিতে শান্তিকুঞ্জ হয়ে মেইন রোডের উঠার পথে ২০ ফুট রাস্তার কাজ দুটি ঠিকাদার পক্ষ তাদের কাজ শেষ করেই অসমাপ্ত রেখেই চলে যায়।

পথচারী মতিন বলেন, এখানে যানবাহনে চলতে গেলে বড় ধরনের ঝাঁকি খেতেই হয়। অটোরিকশা কিংবা সিএনজির ঝাঁকিতে একদিকে কাত হয়ে গেলে যাত্রীরা রাস্তায় পড়ে হাত পা কেটে যায়। অনেক সময় গুরুতর আহতও হয়। দ্রুতই এটি মেরামত করার দরকার।

অটোরিকশা শরিফুল, শামীম ও দিপক বলেন, আমরা সারাক্ষণ এখানে থাকি। সবসময়ই আমাদের এই পথে চলাচল করা খুবই কষ্ট। এছাড়া রাস্তার পাশে ঢাকনাবিহীন গভীর ড্রেনতো আছেই। সেখানেই পড়ে যাওয়া ভয় আছে।

শান্তিকুজ্ঞ মোড়ের দোকানদার শফিক বলেন, ২০ ফুট রাস্তাটি মেরামত হওয়া খুবই দরকার। আমার চোখের সামনে প্রায় দেখি, অটোরিকশাগুলো উল্টে গিয়ে যাত্রীরা পড়ে গিয়ে ব্যথা পাচ্ছে। অটোরিকশা চাকা একদিকে কাত হয়ে থেমে গেছে। থেমে মাত্রই যানজট লেগে যায়।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া আজমেরী খান বলেন, শান্তিকুঞ্জ মোড়ের ২০ ফিট রাস্তাটি মেরামতের জন্য টেন্ডার খোলা হয়েছে। দ্রুতই রাস্তাটি মেরামত করা হবে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/কেএইচকে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।