সবজিতে ভরপুর বাজার, দামেও স্বস্তি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ০২:৪৭ পিএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে

ময়মনসিংহে সপ্তাহের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। তবে বেড়েছে মুরগির দাম। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের ঐতিহ্যবাহী মেছুয়া বাজারে গিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, শীতকালীন সবজিতে ভরপুর বাজার। প্রত্যেক বিক্রেতা ডালা ভর্তি করে সবজি নিয়ে বসে আছেন। সবজির দাম কমায় নিম্ন ও মধ্যম আয়ের ক্রেতারা স্বস্তিতে রয়েছেন।

বর্তমানে মটরশুঁটি ৯০ টাকা থেকে কমে ৮০, টমেটো ৪০ টাকা থেকে কমে ৩০, দেশি গাজর ৪০ টাকা টাকা থেকে কমে ৩০, শসা ৭০ টাকা থেকে কমে ৬০ ও করলা ১০০ টাকা থেকে কমে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি শিম ৩০, গোল বেগুন ৩০, লম্বা বেগুন ৩০, কাঁচা পেঁপে ৩০ ও মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি এবং কাঁচকলা ৩০ টাকা হালি, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, লাউ ৭০ টাকা পিস এবং লেবু ৪০ টাকা হালিবিক্রি হচ্ছে।

সবজিতে ভরপুর বাজার, দামেও স্বস্তি

একই বাজারে ব্রয়লার মুরগি স্থিতিশীল অবস্থায় ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। খাসির মাংস এক হাজার ১৫০ টাকা ও গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে কাতলা মাছ ৩৪০-৪৪০ টাকা, শিং ৩৪০-৬৪০ টাকা, টাকি ৪১০-৫৪০ টাকা, সিলভার কার্প ২১০-২৮০ টাকা, শোল ৫৯০-৬৪ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, মৃগেল ২৮০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৫৩০ টাকা, ট্যাংরা ৫১০-৭৮০ টাকা, রুই ৩২০-৪২০ টাকা, কালবাউশ ৩০০-৩৭০, কৈ ২৫০-৩৫০ টাকা এবং পাঙাশ ১৭০-২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজি কেনার সময় কথা হয় আক্কাছ মিয়া নামের একজনের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‌‘বর্তমানে সবজি ন্যায্য দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী কিনতে পারছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। সারাবছর এমন দামে সবজি বিক্রি হলে আমাদের মতো ক্রেতারা স্বস্তিতে থাকবেন।’

সবজিতে ভরপুর বাজার, দামেও স্বস্তি

সবজি বিক্রেতা সামাদ মিয়া বলেন, ‘ভোরে পিকআপ ভর্তি করে বাজারে বিপুল পরিমাণ সবজি আসছে। ফলে আড়তে দাম কমায় এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। আমরাও দাম কমিয়ে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছি।’

মুরগি বিক্রেতা ফারুক হোসেন বলেন, ‘দাম বাড়ানোর পেছনে আমাদের কারসাজি নেই। পাইকারিভাবে দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়ে আমরাও দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি। পাইকারিভাবে দাম কমলে আমরাও দাম কমিয়ে বিক্রি করবো।’

এ বিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, ‘যে কোনো পণ্যের দাম বাড়াতে হলে যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে। কিছুদিন পরই রমজান মাস শুরু হবে। এজন্যও অসাধু বিক্রেতারা যে কোনো পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে। তাই বাজারে তদারকি জোরদার করা হবে।’

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।