বিএনপির জয়ে বাজিতে মহিষ জিতে ঢাকঢোল পিটিয়ে ফেরত দিলেন সমর্থক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি শেরপুর
প্রকাশিত: ০৯:৫০ এএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নির্বাচন নিয়ে বাজি ধরেন বিএনপি ও জামায়াতের দুই সমর্থক। বাজিতে বিজয়ীকে মহিষ দেওয়ার সমঝোতা হয় তাদের মাঝে। পরবর্তীতে বাজিতে জয় পেয়ে ব্যান্ড পার্টি বাজিয়ে মহিষ নিয়ে বাড়ি ফেরেন বিজয়ী সমর্থক। কিন্তু পরে সেই মহিষ মালিকের কাছে ফেরত দেওয়া হয়। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

কৌতূহলী ঘটনাটি উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের উত্তর নাকশী গ্রামের। নির্বাচনের আগে উত্তর নাকশী গ্রামের আবদুল মান্নান ও পার্শ্ববর্তী বালুঘাটা গ্রামের আমীর উদ্দিনের মধ্যে বাজি হয়। শর্ত ছিল, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জয়ী হলে আবদুল মান্নান দেবেন পাঁচটি মহিষ আর ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে আমীর হোসেন দেবেন একটি মহিষ।

ভোটের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক জয়ী হলে বাজিতে পরাজিত হন আমীর উদ্দিন। সেই শর্ত অনুযায়ী শুক্রবার দুপুরে ঢাকঢোল পিটিয়ে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মহিষটি বুঝে নেন আবদুল মান্নান।

স্থানীয়রা জানায়, নিম্নমধ্যবিত্ত সংসার আমীর উদ্দিনের। কিন্তু তিনি খুবই রসিক মনের মানুষ। আর মহিষটি ছিল আমীর উদ্দিনের সংসারের আয়ের একটি মাধ্যম।

আমীর উদ্দিন বলেন, শর্ত অনুযায়ী আমি মহিষ বুঝিয়ে দিয়েছিলাম। এতে আমার কোনো আপত্তি ছিলো না।

আবদুল মান্নান বলেন, বাজি ছিল নিছক আনন্দ-বিনোদনের জন্য। ঢাকঢোল পিটিয়ে মহিষটি গ্রামের লোকজন আনন্দ-ফুর্তি করে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু আমীর উদ্দিনের সাংসারিক অবস্থা তেমন ভালো নয়। কিন্তু সে অনেক বড় মনের মানুষ। মহিষটি সে আমাকে দিলেও পরবর্তীতে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মহিষটি আমীর উদ্দিনের হাতে ফিরিয়ে দেই।

শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৫ ভোট।

মো. নাঈম ইসলাম/এমএন/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।