ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪৯ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারালেন ৩৫ জন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশিত: ১০:৫৯ এএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের ৪৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৫ জন নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া ৫০ হাজার টাকা জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী এই তথ্য জানা গেছে।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান জানান, নির্বাচনে একটি আসনে মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট কোনো প্রার্থী না পেলে তার জামানত হারাবেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে এক লাখ ৫০ হাজার ৮৪ ভোট। এই ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোটের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৭৬০ ভোট। এ ভোটের কম পেয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। এরমধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইকবাল চৌধুরী কলারছড়ি প্রতীকে ১৭ হাজার ৬৬৬ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের শরীফ মৃধা আপেল প্রতীকে ১৩৯ ভোট, জাতীয় পার্টির শাহ আলম লাঙল প্রতীকে ২৬৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাঁস প্রতীকে ১০৬ ভোট, ইসলামি আন্দোলনের হুসাইন আহমাদ হাতপাখায় ৯০৭ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৯৯৭ ভোট। এর এক অষ্টমাংশ ভোট সংখ্যা হচ্ছে ৩০ হাজার ৬২৪ ভোট। এর মধ্যে এনসিপির প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন শাপলা কলি প্রতীকে ২০ হাজার ৪০১ ভোট, জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধা লাঙল প্রতীকে ১৯৯ ভোট, স্বতন্ত্র এস এন তরুণ দে কলার ছড়ি প্রতীকে ১২ হাজার ৫৬০ ভোট, জেএসডির তৈমুর রেজা মো. শাহজাদ তারা প্রতীকে ৩৮৪ ভোট, ইসলামি আন্দোলনের নেছার আহমাদ হাতপাখা প্রতীকে ৩ হাজার ৮৫১ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের মাঈন উদ্দিন আপেল প্রতীকে এক হাজার ৪১৯ ভোট এবং আমজনতার দলের শরিফা আক্তার প্রজাপতি প্রতীকে ১৮১ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে দুই লাখ ৯৫ হাজার ৮৫৫ ভোট। এর এক অষ্টমাংশ ভোট হচ্ছে ৩৬ হাজার ৯৮২ ভোট। এরমধ্যে ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী আয়েশা আক্তার চেয়ার প্রতীকে এক হাজার ৩৪৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের নিয়াজুল করিম হাতপাখা প্রতীকে ৬ হাজার ২৩১ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের আবু হানিফ আপেল প্রতীকে ৩ হাজার ৩৪৫ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ইউসুফ খান হরিণ প্রতীকে ২৭৮ ভোট, জাতীয় পার্টির রেজাউল ইসলাম ভূঞা লাঙল প্রতীকে হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে দুই লাখ ৪২ হাজার ৩০২ ভোট। এর এক অষ্টমাংশ হচ্ছে ৩০ হাজার ২৮৭ ভোট। এরমধ্যে ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী মো. জসিম হাতপাখা প্রতীকে ২ হাজার ২৭৭ ভোট, জাতীয় পার্টির জহিরুল হক খাঁন লাঙল প্রতীকে ২ হাজার ৪৫৩ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল হক চৌধুরী ট্রাক প্রতীকে ১০৭ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রফি উদ্দিন আপেল প্রতীকে ৭৭৩ ভোট, এনপিপির শাহীন খান আম প্রতীকে ১০৯ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে দুই লাখ ৬০ হাজার ৯০ ভোট। এর এক অষ্টমাংশ হচ্ছে ৩২ হাজার ৫১১ ভোট। এরমধ্যে ইসলামি আন্দোলনের নজরুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীকে ২০ হাজার ৬৯৬ ভোট, গণসংহতি আন্দোলনের নাহিদা জাহান মাথাল প্রতীকে ২৬৬ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের আশরাফুল হক আপেল প্রতীকে ২৫৭ ভোট, জাতীয় পার্টির কামরুল ইসলাম লাঙল প্রতীকে ৩৭২ ভোট, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির শাহীন খান কাস্তে প্রতীকে ৩৫৯ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট পড়েছে এক লাখ ৫৩ হাজার ৫০ ভোট। এর এক অষ্টমাংশ ১৯ হাজার ১৩১ ভোট। এরমধ্যে জেএসডির প্রার্থী কে এম জাবির তারা প্রতীকে ১৬৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মো. সাইদুজ্জামান কামাল হরিণ প্রতীকে এক হাজার ৯২৬ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু কায়েস সিকদার ফুটবল প্রতীকে ৬৬৬ ভোট, ইসলামি ফ্রন্টের আবু নাসের মোমবাতি দুই হাজার ৩৫৩ ভোট, এনপিপির সফিকুল ইসলাম আম প্রতীকে ১০৬ ভোট, ইনসানিয়াত বিপ্লবের হাবিবুর রহমান আপেল প্রতীকে ১৩৯ ভোট, ইসলামি আন্দোলনের সাইদউদ্দিন খান হাতপাখা প্রতীকে ৮ হাজার ৫৭২ ভোট ও গণঅধিকার পরিষদের সফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে ২৮৯ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এমএন/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।