নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী অমিত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি যশোর
প্রকাশিত: ০৮:০৯ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বিদ্যুৎ ঘাটতির মধ্যেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যশোর সার্কিট হাউজে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন জানান তিনি।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ইফতার, তারাবি ও সেহরিতে যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে পারি, সেই চেষ্টা আমাদের রয়েছে। বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে, সেটাকে কীভাবে সুন্দর ব্যবস্থাপনা করে জনদুর্ভোগ কমানো যায় সেটা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। দেশবাসীকে বলবো, আমাদের একটু সময় দিতে হবে। ধৈর্যধারণ করতে হবে। বিদ্যুৎ বিভাগে পরিকল্পনা অনুযায়ী নানা সংকট, সমস্যা সমাধান আমরা করতো পারবো।

বোরো মৌসুমে রেশনিং করে হলেও চাষিদের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজানের পরেই সেচের মৌসুম। কৃষকদের বিদ্যুৎ নিশ্চিতে কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেছি। অন্য জায়গা থেকে রেশনিং করে হলেও সেচের মৌসুমে কৃষকদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সেচ মৌসুমে যাতে কৃষকেরা প্রয়োজনীয় অনুযায়ী বিদ্যুৎ পান; এটা নিশ্চিত করাটাই আমাদের প্রধান কাজ।

এর আগে সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সেখানে জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের নানা সংকট ও সম্ভাবনার নানা তথ্য উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা। সভায় এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিমন্ত্রী জেলার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। এসময় পল্লী বিদ্যুৎ ও ওজোপাডিকোর বিভাগীয় ও জেলার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে নিজ জেলায় যশোরে আসেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বসাধারণ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন। এর আগে যশোর বিমান বন্দর থেকে সার্কিট হাউজে উপস্থিত হলে প্রতিমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মিলন রহমান/এমএন/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।