পানিসম্পদ মন্ত্রী

সংসদে বিল উত্থাপনের মধ্য দিয়ে গণভোটের কার্যকারিতা শুরু হয়ে যাবে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর
প্রকাশিত: ০৯:৩৫ এএম, ২০ মার্চ ২০২৬

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এমপি হিসেবে আমরা শপথ নিয়েছি। জুলাই সনদ পাস করার মাধ্যমে শপথ নিতে হবে—এমন কোনো আলোচনা কখনো ছিল না। তবে যেহেতু হ্যাঁ ভোট জয়ী হয়েছে, তাই সংসদে বিল উত্থাপনের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা শুরু হবে। যেখানে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়া হয়েছে, সেটা নিয়ে পার্লামেন্টে গঠনমূলক আলোচনা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গুম-খুনের শিকার নেতাকর্মীদের স্মরণে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ্যানি চৌধুরী বলেন, গত ১৭ বছর দেশে কোনো নির্বাচন ছিল না। সংসদ ছিল কিন্তু জনগণের জন্য সরকারি দল ও বিরোধী দলের আলাপ-আলোচনা ছিল না। কিন্তু আজকের সংসদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নির্বাচনের এক মাস পূর্তিতে সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথের পর এই এক মাসে সরকার দেশবাসীর পাশে যেভাবে দাঁড়িয়েছে, তা দৃশ্যমান। অনেকেই ভেবেছিলেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কেবল নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে তা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। আগামী মাস থেকে কৃষকরা ‘কৃষক কার্ড’ পেতে শুরু করবেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী ছুটির দিনেও ক্যাবিনেট মিটিং ও অফিস করছেন, যা দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিরোধী দলের ভূমিকার প্রশংসা করে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জামায়াতের আমির আমাদের খাল খনন কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। আমরা চাই বিরোধী দল আমাদের ভুলগুলো ধরিয়ে দিক।

তিনি বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে বিতর্ক, আসলে খুব কঠিন বিতর্ক না। সংসদে প্রথমদিনই আলোচনা হয়েছে জুলাই সনদ নিয়ে, পরের দিন আলোচনা হবে। পরের দিন আলোচনার মধ্য দিয়ে এটা অনেকটা শেষ হয়ে গেছে।

আন্দোলনে ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্মরণ করে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে অনেকেই সরাসরি গুলিতে শহীদ হয়েছেন। যারা বেঁচে আছেন, তাদের অনেকে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন বা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। মামলা-হামলার শিকার হয়ে যারা দীর্ঘ সময় ঘরবাড়ি ছাড়া ছিলেন, তাদের পাশে সরকার সবসময় থাকবে।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক শাহাবুদ্দিন শাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যাহ ও জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মো. এমরান প্রমুখ।

কাজল কায়েস/কেএইচকে/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।