ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪৬ হাজার যানবাহন পারাপার
নারীর টানে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। এদিকে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ৯৪৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৪ হাজার ৬৫০ টাকা। অপরদিকে যানজট নিরসনে মহাসড়ক পুলিশ নিরসলভাবে কাজ করছে৷
পুলিশ জানায়, ঈদের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। এতে ঘর ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে কয়েকগুণ। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল- যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে৷ তবে বুধবার (১৮ মার্চ) পোশাক কারখানা ছুটি হবে। এর ফলেও মহাসড়কে আরও চাপ বাড়বে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতেও মহাসড়কে গাড়ির চাপ ছিল অনেক।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ হাজার ৯৪৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাগামী ১৯ হাজার ৪৪৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৪ হাজার ৮০০ টাকা। অপরদিকে উত্তরবঙ্গগামী ২৭ হাজার ৪৯৮ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীত টোল আদায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫০ টাকা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, আগের থেকে মহাসড়কে যানবাহনের যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত যানজট হয়নি। ঈদযাত্রায় যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে দুইপাশেই ২টি করে বুথ দিয়ে আলাদাভাবে মোটরসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আশা করছি নির্বিঘ্নেই যানবাহন পারাপার হতে পারবে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বিগত সময়ে সেতুর টোল আদায় করে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)। সরকার পরিবর্তন হওয়ার পর ২৪ সালের শেষের দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ করপোরেশন টোল আদায় করছে।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/এমএস