ডাকাতদের গুলিতে ডাকাত আহত, ধরে হাসপাতালে নিলো পুলিশ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ০৪:৪৭ পিএম, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রামবাসীর ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে ডাকাতদল। পালিয়ে যাওয়ার সময় ডাকাতের ছোড়া গুলিতে আরেকজন ডাকাত গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাতে সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের বাউরভাগ গ্রামের মাজপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্যের নাম সৈয়দ শামসুর রহমান ওরফে আতিক। তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্ষিজোড়া এলাকায়। বর্তমানে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় বসবাস করছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে বৃষ্টি আর ঝড়ের আভাস পেয়ে বাউরভাগ গ্রামের কয়েকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে মাছ শিকার করছিলেন। এসময় হঠাৎ সাজ্জাদ মিয়া নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি দেখতে পান, কবরস্থানের পাশে অন্ধকারের মধ্যে ৪-৫ জন দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের কাছে গিয়ে দেখতে পান সবাই অপরিচিত। সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে সরে গিয়ে সড়কের পাশের দোকানে থাকা লোকজনকে বিষয়টি জানান তারা।

পরে সেখান থেকে কয়েকজন ছুটে গিয়ে তাদের পরিচয় জানতে চাইলে দৌড়ে পালাতে থাকেন তারা। এসময় এলাকাবাসী জড়ো হয়ে ‘ডাকাত ডাকাত’ চিৎকার করতে থাকেন। একপর্যায় গ্রামের আরও লোকজন জড়ো হন। এসময় পাঁচজনের ডাকাতদল দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া সময় তাদের একজনকে গ্রামবাসী কাদামাটির মধ্যে ধরে ফেলে গণপিটুনি দেন।

এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা গ্রামবাসীকে লক্ষ্য করে একের পর এক গুলি ছুড়তে থাকেন। তবে ওই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গ্রামবাসীর হাতে আটক ডাকাতের শরীরে লাগে। পরে তার কাছ থেকে পাইপগান ও ২১ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ওই ডাকাতকে আটক করে প্রথমে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল খয়ের বলেন, পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদলের সদস্যদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাদেরকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এম ইসলাম/এসআর/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।