প্রেমিকাকে ফিরে পেতে ৪৬০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে লাফিয়ে পড়ার হুমকি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর
প্রকাশিত: ০৮:৫৯ এএম, ০৪ মে ২০২৬

প্রেমিকাকে ফিরিয়ে আনতে ৪০০ ফুট উঁচু বৈদ্যুতিক টাওয়ার থেকে লাফ দেওয়ার হুমকি দেন হাসান শিকদার (২২) নামে এক যুবক। আত্মহত্যার জন্য ৪৬০ ফুট এক বৈদ্যুতিক টাওয়ারের উপর উঠেও বসেন তিনি। খবর পেয়ে হাসানের এক বন্ধু পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতের সদস্যদের খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন কৌশলে তাকে বুঝিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর নিচে নামিয়ে আনে।

রোববার (৩ মে) রাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইল ইউনিয়নের দফাদারকান্দি এলাকায় প্রেমিকার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শিবচর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মৃত সূর্য শিকদারের ছেলে হাসান শিকদারের সঙ্গে তার প্রেমিকার সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রেমের বিচ্ছেদ মেনে নিতে না পেরে টাওয়ারে ওঠেন হাসান। পরে প্রেমিকাকে ফোনে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা ও টাওয়ারের নিচে আসতে অনুরোধ করেন। তা না হলে তিনি নিচে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন।

প্রেমিকাকে ফিরে পেতে ৪৬০ ফুট উঁচু টাওয়ারে উঠে লাফিয়ে পড়ার হুমকি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন হাসানের এক বন্ধু। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে টাওয়ারের ওপর থেকে হাসানকে নিচে নামতে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয় না। পরে খবর পেয়ে শিবচর থানা পুলিশ, নিলখী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতের লোকজন ও হাসানের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাসানকে নিচে নামতে অনুরোধ করেন। এভাবে দীর্ঘ সময় পর রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে হাসানকে নিয়ে তার বন্ধু নিচে নেমে আসেন। পরে পুলিশ স্থানীয় জনরোষ থেকে কঠোর নিরাপত্তায় হাসানকে শিবচর থানায় নিয়ে এসে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

শিবচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তপন কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা ফোনে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে হাসান নামের যুবককে টাওয়ার থেকে নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হই। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।