মুক্তিযোদ্ধা এমপিকে ‘রাজাকার’ বললেন যুবলীগ নেতা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাইবান্ধা
প্রকাশিত: ১০:১৬ পিএম, ০১ মে ২০২৬
যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম সাজু

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেজকে ‌‘রাজাকার’ বললেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম সাজু।

তিনি বলেন, ‘রাজাকারের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না। এই রাজাকারের বাচ্চাদের ফুলছড়ির মাটিতে ঠাঁই হবে না। এই কুচক্রী মহলকে কালীর বাজার থেকে ফুলছড়ি পর্যন্ত কোথায়ও প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। প্রবেশ করলে প্রত্যকের হাতে লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রতিহত করতে হবে।’

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এই রাজাকার কখনো মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধা কখনো রাজাকার হতে পারে না। আওয়ামী লীগ তা কখনো হতে দেবে না। আমরা যারা আওয়ামীগ করি, তারা সবাই মিলে এই রাজাকারের বাচ্চাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করবো। শুধু সময়ের অপেক্ষা।’

শুক্রবার (১ মে) বালাসীঘাট থেকে বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত দ্বিতীয় যমুনা সেতু সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধনে জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ করে শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে মানববন্ধনটি পণ্ড হয়ে যায়। বক্তব্য দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তিনি সটকে পড়েন।

শফিকুল ইসলাম সাজু ফুলছড়ি উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

কমপক্ষে ১৫টি বিভিন্ন নামের ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন পালিয়ে ছিলেন। ভোটের পর প্রকাশ্যে চলাফেরা শুরু করেন।

এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি যা বলেছি সেটাই সঠিক। আমি কেন, কেউ এমপিকে (বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেজ) ফুলছড়ি উপজেলায় ঢুকতে দেবে না।’

আনোয়ার আল শামীম/এসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।