মাদরাসায় আসা প্রতিবেশীর ছাগল জবাই নিয়ে যা জানা গেলো
গাজীপুর মহানগরীর পোড়াবাড়ি এলাকায় একটি মাদরাসার শিক্ষক প্রতিবেশীর ছাগল জবাই করার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে একটি মহল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুধবার (৬ মে) মহানগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সালনা এলাকার জামিয়া মাদিনাতুল কুরআন মাদরাসায় প্রতিবেশী একজনের ছাগল এসে ওই মাদরাসায় রোপণ করা বেশ কিছু গাছ খেয়ে ফেলে। বিষয়টি ছাগলের মালিককে বারবার জানালেও এর প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছিল না। এ নিয়ে মাদরাসাশিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
ঘটনার দিন বিকেলে গাছ খেতে থাকা ছাগলটিকে শিক্ষার্থীরা ধরে নিয়ে আসে। একপর্যায়ে ছাগলটি অসুস্থ হয়ে পড়লে শিক্ষকরা দ্রুত সেটিকে জবাই করে ফেলেন। তারা জবাই করা ছাগলের মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করে ছাগলের মালিককে খবর দেন। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে মীমাংসা করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ছাগলটির মালিক আব্দুর রশিদের ভাষ্য, ‘মাদরাসার লোকজন ছাগলটিকে ধরে নিয়ে জবাই করে। পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়।’
মাদরাসাটির মোহতামিমের ছেলে ওই মাদরাসার শিক্ষক মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, বাস্তবে তেমন নয়। ছাগলটি বারবার মাদরাসায় ঢুকে গাছপালা নষ্ট করছিল। ঘটনার দিন ছাত্ররা সেটিকে আটক করলে ছাগলটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সেটি জবাই করা হয়। স্থানীয় মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে সালিশের মাধ্যমে ছাগলের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে।’
মাদরাসার মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি তৌফিক উদ্দিন বলেন, ‘রাগের মাথায় অনেক সময় ভুল হয়ে যায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান হয়েছে। এটি নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না করাই ভালো।’
মো. আমিনুল ইসলাম/এসআর/এএসএম