সেঞ্চুরির চেয়ে দলের জন্য অবদান রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ মুমিনুলের কাছে

স্পোর্টস ডেস্ক
স্পোর্টস ডেস্ক স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮:৪৯ পিএম, ০৮ মে ২০২৬

পরিবেশ-পরিস্থিতি সামলানোর জন্য যেমন খেলা উচিত, নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হক সেভাবেই খেলেছেন। অতি বড় সমালোচকও এমন কথা বলছেন না যে, মুমিনুল হক সময়ের দাবি মেটাতে পারেননি। শান্ত একটু বেশি সাহস দেখিয়ে পাকিস্তানি বোলারদের মোকাবেলা করেছেন। সেখানে মুমিনুল খেলেছেন একদম টেস্ট মেজাজে।

এক মুহূর্তের জন্য আক্রমণাত্মক না হয়ে উইকেট আগলে পড়ে থাকাই ছিল মুমিনুলের লক্ষ্য। সেই কাজ করতে গিয়েই স্লো ছিলেন মুমিনুল। কিন্তু মনে হয়েছে দিনের শেষ ঘণ্টায় তার ব্যাট আরও স্লথ হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৯১ রান করে আউট হওয়া মুমিনুল খেলেছেন ২০০ বল।

১০২ বলে পঞ্চাশে পা রাখা মুমিনুলকে ৬০ থেকে ৯০’র ঘরে পা রাখার সময় একটু বেশি সতর্ক ও সাবধানী মনে হয়েছে। ওই সময় স্ট্রাইক রেটও গিয়েছিল কমে। শেষ ৩০ রান করতে খেলেছেন ৭২ বল।

অনেকেরই মত, মুমিনুল আর একটু হাত খুলে খেললেই হয়তো কাঙ্ক্ষিত শতকের দেখা পেতেন। খেলা শেষে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস বক্সে কথা বলতে এসেও সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন মুমিনুল।

ওই সময়ে এসে এত একটু বেশি স্লো হয়ে গিয়েছিলেন? একটা সেঞ্চুরি হলো না। আশির ঘরে, তারপর নব্বইয়ের ঘরে এসে আপনার মোক্ষম সময়ে আউট হয়ে যাচ্ছেন। একটু বেশিই স্লো খেলার কারণেই এমন হচ্ছে?

মুমিনুলের কথা, না, ‘ওই সময় আমার কাছে মনে হয়নি যে স্লো হয়ে গেছি। আমি দেখলাম যে রানের তাড়া ছিল না। আমার টার্গেট ছিল যে এক ঘণ্টা খেলা আছে, ওই এক ঘণ্টা যদি আমি নরমাল ক্রিকেট খেলি। আর ও (নোমান আলি) ভালো বল করছিল। আমি যেভাবে আশা করছিলাম, ওইভাবে খেলতে পারিনি। বলটা হঠাৎ করে নিচু হয়ে গেছে।’

সেঞ্চুরি মিস করায় খারাপ লাগা স্বাভাবিক। তবে মুমিনুলের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দলের জন্য অবদান রাখা। বলছিলেন, ‘হ্যাঁ, আউট হয়ে সাজঘরে ফেরার পর ড্রেসিংরুমে গিয়ে ২-৩ মিনিট একটু খারাপ লেগেছিল। তবে আমার কাছে ১০০’র চেয়ে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট হলো দলে কন্ট্রিবিউট করা এবং ডেইলি রান করা।’

এআরবি/এমএমআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।