সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, আটক ৩

উপজেলা প্রতিনিধি
উপজেলা প্রতিনিধি উপজেলা প্রতিনিধি মোংলা (বাগেরহাট)
প্রকাশিত: ১২:৩৫ পিএম, ১৫ মে ২০২৬

সুন্দরবনে বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পরাস্ত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন দস্যুকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার মো. মেহেদী হাসান (২৫), মো. রমজান শরীফ (১৯) এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মো. এনায়েত (২৫)।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়াখালী খালসংলগ্ন এলাকায় বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বিকেল থেকে টানা দুই দিন ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্টগার্ড। অভিযান চলাকালে কোস্টগার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরে আত্মরক্ষার্থে কোস্টগার্ডও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে কোস্টগার্ডের তীব্র প্রতিরোধের মুখে দস্যুরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তিনজনকে আটক করা হয়।

এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাঁজা গুলি, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ২টি ওয়াকিটকি ও ৪টি ওয়াকিটকি চার্জার উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা দীর্ঘদিন ধরে করিম-শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালীদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

এর আগে গত ১৩ মে বন বিভাগের সহযোগিতায় করিম-শরীফ বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

আবু হোসাইন সুমন/কেএইচকে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।