ব্রিজের অভাবে স্কুলে যাচ্ছে না গ্রামের ছেলে-মেয়েরা


প্রকাশিত: ১২:২৫ পিএম, ২৬ জুলাই ২০১৬

ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিনয়কাঠি ইউনিয়নের আশিয়ার ও মুড়াশাতা এবং গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কালিয়ারগোক ও বালিঘোনা গ্রামের হাজার হাজার মানুষ সড়ক পথে চলাচল করতে পারছে না।

উপজেলার আশিয়ার গ্রামের ব্রিজটি দুই বছর আগে ভেঙে পড়ায় এই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।

আর এ কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা। ব্রিজটির অভাবে মাইলের পর মাইল পাড়ি দিয়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে তাদের। এ কারণে ইউনিয়ন দুটির বেশ কয়েকটি গ্রামের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

শুধু তাই নয়, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকার অসুস্থ রোগীদের সময়মতো হাসপাতালে নেয়া যাচ্ছে না। এ কারণে চিকিৎসার অভাবে এই দুই ইউনিয়নের অনেকে মারা যাচ্ছেন।

এদিকে বিষয়টি সমাধানে স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানালেও আজ পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।

জানা গেছে, ১৯৯৮ সালে এলজিইডির আওতায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই আয়রন ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের সময় নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় অবকাঠামোগতভাবে নড়বড়ে হয় ব্রিজটি। এরপর খুঁটির এঙ্গেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় গত দুই বছর আগে ব্রিজটি ভেঙে খালে পড়ে যায়।

মুড়াশাতা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল খালেক জাগো নিউজকে বলেন, ব্রিজটা ভালো থাকলে অনেক কম সময়ে মোটরসাইকেলে জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানে যাওয়া যেত। কিন্তু এখন পারছি না। সময়ের কাজ সময়মতো না করতে পারলে লাভ কি।

বালিঘোনা গ্রামের কলেজছাত্র রবিউল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, হেঁটে প্রতিদিন কলেজে যেতে হচ্ছে। সময়মতো কোনো ক্লাস করতে পারছি না। আমরা দ্রুত এই ব্রিজটি নির্মাণের দাবি করছি।

বিনয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ব্রিজটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি নির্মাণের ব্যাপারে আমি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আবারো আলাপ কববো।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রকৌশলী আরিফ উদ দৌলা জাগো নিউজকে বলেন, আশা করি পরবর্তী প্রকল্পে এই ব্রিজটি অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।

আতিক/এমএএস/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।