গাইবান্ধায় পৌনে ৪ লাখ মানুষ যুদ্ধ করছে পানির সঙ্গে


প্রকাশিত: ০২:০৮ পিএম, ০২ আগস্ট ২০১৬

ঘাঘট ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি কমলেও এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চত্বর এবং কাতলামারির ফুলছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র এখনও বন্যার পানিতে নিমজ্জিত। তিন সপ্তাহের বন্যা দীর্ঘ স্থায়ী হওয়ায় ৪টি উপজেলার ৩২টি ইউনিয়নের ৩ লাখ ৭৫  হাজার বন্যাকবলিত মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
 
এছাড়া গতকাল সোমবার সকালে বাঁধ ভাঙা বন্যার পানির তোড়ে ফুলছড়ির কালিরবাজার সড়কের পশ্চিম ছালুয়া গ্রাম সংলগ্ন ব্রিজটি ভেঙে গেছে। এ নিয়ে ফুলছড়ি উপজেলা সদরের উড়িয়া-কালির বাজার, কাঠুর-কালিরবাজার, হাজিরহাট- উদাখালি এবং সিংড়িয়া-কালিরবাজার সড়কের ৫টি ব্রিজ ধসে গেছে।  

গাইবান্ধা-ফুলছড়ি সড়কে গোদার বাজারের রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলা সদরের সঙ্গে গাইবান্ধাসহ গোটা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
 
জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের সিংড়িয়ার রতনপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে সদর উপজেলার আলাই নদীর চুনিয়াকান্দির তালুকবুড়াইল ও সোনাইল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভাঙা পানির তোড়ে সদর উপজেলার বোয়ালি, বাদিয়াখালি, সাঘাটার পদুমশহর, ফুলছড়ির কঞ্চিপাড়া ও উদাখালীর পানিবন্দী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বন্যা কবলিত ১৩ হাজার ৩শ পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রয় নিয়ে বিশুদ্ধ পানি, টয়লেট এবং গবাদি পশুর খাদ্য সঙ্কটে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এছাড়া রান্না করার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তারা খাদ্য সঙ্কটে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সরকারি উদ্যোগে যে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে তা চাহিদার চাইতে অপ্রতুল।

সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু চৌধুরী জানান, বন্যা কবলিত ৪টি উপজেলায় ৬৫টি মেডিকেল টিম স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত রয়েছে।

অমিত দাশ/এমএএস/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।