না.গঞ্জে ৫ খুন : ৩ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন


প্রকাশিত: ১০:২৫ এএম, ০৯ আগস্ট ২০১৬
ফাইল ছবি

নারায়ণগঞ্জের শহরের বাবুরাইলে মামির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জের ধরে একই পরিবারের দুই শিশুসহ পাঁচজনকে হত্যার মামলায় ৩ জন আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন। আর সাক্ষীদের জেরাও করেছে আসামিপক্ষের আইনজীবী।  

সোমবার দুপুরে ভাগ্নে মাহফুজের উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাড. ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সোমবার দুই সহোদর তৌহিদ ও তাসলিম এবং রনি নামের তিন যুবকের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। তারা ঘটনার দিন সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সাক্ষী ছিলেন। ওই তিনজন যুবক ঘটনাস্থল শহরের বাবুরাইল এলাকার আশেক আলী ভিলার ভাড়াটিয়া ছিলেন। এছাড়া আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে সাক্ষীদের জেরা করেন জেলা লিগ্যাল এইডের আইনজীবী অ্যাড. সুলতানুজ্জামান।

উল্লেখ্য, গত ১২ জুলাই মামলার বাদী শফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি শহরের বাবুরাইল এলাকার আশেক আলী ভিলার নিচ তলায় মামা শফিকের বাসায় অবস্থান করে নির্বিঘ্নে মামি তাসলিমা (৩৫), তার ছেলে স্কুলছাত্র শান্ত (১০) ও মেয়ে স্কুলছাত্রী সুমাইয়া (৬), তাসলিমার ভাই মোরশেদুল (২২) ও তাসলিমার জাঁ লামিয়াকে (২০) শ্বাসরোধে হত্যা করে ভাগ্নে মাহফুজ।

পরে ২১ জানুয়ারি আদালতে মাহফুজ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। আদালতে মাহফুজ স্বীকারোক্তি ছিল অনেকটাই গা শিউরে উঠার মতো। মামির সঙ্গে পরকীয়ার জের ধরে একই বিছানায় শুতে ব্যর্থ হয়ে ক্ষোভ থেকেই একে একে পাঁচ জনকে হত্যা করে ভাগ্নে মাহফুজ।

এর আগে গত ৫ মে মামলাটি বিচারের জন্য চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে বদলী হয়ে আসে। পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ২৫ মে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে সাক্ষীগ্রহণের দিন ধার্য করেন। ১৩ জুন আসামি মাহফুজের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে আদালত।

শাহাদাত হোসেন/এআরএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।