মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতে দুর্ভোগে যশোরবাসী


প্রকাশিত: ০১:১১ পিএম, ১০ আগস্ট ২০১৬

মৌসুমের সর্বোচ্চ ও বিরামহীন বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে গোটা যশোরের নিম্নাঞ্চল। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে গোটা যশোরবাসী। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ২২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শ্রাবণের অবিরাম বর্ষণের এমন পরিস্থিতি গত কয়েক বছরে দেখা যায়নি বলেও অনেকে জানিয়েছেন। শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় ড্রেন উপচে রাস্তাঘাট তলিয়ে পানি প্রবেশ করেছে অসংখ্য বাড়িতে।
 
বুধবার দিনভর যশোর শহর ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েকদিনের অল্পবিস্তর বৃষ্টিপাতের পর মঙ্গলবার রাত থেকে টানা বৃষ্টিপাতে শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত পানির চাপে অনেক এলাকা ভেসে গেছে। ভারী বর্ষণে শহরের খড়কি, রেলগেট, বেজপাড়া, টিবি ক্লিনিকপাড়া, স্টেডিয়ামপাড়া, শংকরপুর, মিশনপাড়া, উপশহর, চাঁচড়া, কারবালা, এমএম কলেজ এলাকা, নাজিরশংকরপুর, বকচর, আবরপুরসহ শহরের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।

শংকরপুর, বেজপাড়া, খড়কি, কারবালা, স্টেডিয়ামপাড়ার অনেক বাড়ি পানি প্রবেশ করেছে। ভেসে গেছে বিভিন্ন এলাকার পুকুর ও মাছের ঘের।

শহরের বেজপাড়া পিয়ারীমোহন সড়ক এলাকার বাসিন্দা মর্তুজা চৌধুরী জানান, টানা বৃষ্টিপাতে তাদের গোটা এলাকা তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি তার ঘরের ভেতরেও প্রবেশ করেছে। ড্রেনগুলো পরিস্কার না করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

Jessore

যশোরের খড়কি এলাকার বাসিন্দা সালাহউদ্দিন জানান, তার এলাকার অধিকাংশ বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। ড্রেন আটকে থাকায় পানি নামছে না। ফলে তারা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

যশোরস্থ বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর আষাঢ়ের শুরু থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। আর গোটা শ্রাবণেই চলেছে শ্রাবণধারা। মধ্য শ্রাবণের পর থেকে শেষদিকে এসে এর পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত যশোরে প্রায় ২২৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একদিনের বৃষ্টিপাতের হিসেবে যা গত কয়েক মৌসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ।

মিলন রহমান/এফএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।