শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি রুটে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে


প্রকাশিত: ০২:১৬ পিএম, ১২ আগস্ট ২০১৬

বৈরী আবহাওয়ায় ৩৬ ঘণ্টা যোগাযোগ বন্ধ থাকার পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাদারীপুরের শিবচরের কাওড়াকান্দি নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে। তবে নাব্যতা সংকটের কারণে এ রুটে ফেরি চলাচল সীমিত রয়েছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শুক্রবার সকাল থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু হয়। ডাম্প, কে-টাইপ, টানা ফেরিসহ ৯টি ফেরি কাওড়াকান্দি ও শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে এ রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছ। পাশাপাশি ফেরি সীমিত আকারে চলাচল করায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের।

বিআইডব্লিউটিসি’র কাওড়াকান্দি ঘাট ম্যানেজার আঃ ছালাম মিয়া বলেন, পদ্মা নদীতে অব্যাহতভাবে কয়েক দিন ধরে পানি কমতে থাকায় কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচলকারী চ্যানেলে তীব্র নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। এরপর থেকে গত কয়েকেদিন ধরে হাজরা চ্যানেল ও পদ্মা ব্রিজ সংলগ্ন (চায়না চ্যানেল) চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচল করে।
 
এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পদ্মা ব্রিজ নির্মাণকারী কর্তৃপক্ষ ওই চ্যানেল দিয়ে ফেরি চলাচলের জন্য নিষেধ করেছে।

Madaripur

অপরদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার সময় হাজরা নামক চ্যানেলে একটি বালু বোঝাই ট্রলার আটকে যায়। ফলে এ রুটে ফেরি চলাচলকারী দুটি চ্যানেলেই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কারণে কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরিসহ সকল নৌযান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবার সকাল থেকে এ রুটে চলাচলকারী ১৭ ফেরি মধ্যে রো রো ফেরিসহ ৮টি চলাচল শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, পাটুরিয়া-দৌলদিয়া ফেরি ঘাট বন্ধ থাকা ও কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া ফেরি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার কারণে এ ঘাট এলাকায় দীর্ঘ গাড়ির লাইন রয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য কিছুটা সময় লাগবে।

কাওড়াকান্দি লঞ্চ ঘাট সূত্রে জানা যায়, পদ্মা নদী কিছুটি শান্ত হওয়ায় তিনদিন পর এ রুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল করছে। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ঢাকাগামী দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত ভীড় দেখা গেছে।  

বিআইডব্লিউটি’র কাওড়াকান্দি ঘাটের পরিদর্শক এবিএস মাহমুদ বলেন, সকাল থেকে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল শুরু করেছে। তবে নাব্যতা সংকটের কারণে এরুটে ফেরি চলছে সীমিত রয়েছে।

এ কে এম নাসিরুল হক/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।