পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের খামার গাড়াগ্রাম গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে তাহেরা বেগম (৪৫) নামে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।
রোববার বেলা সোয়া ১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তাহেরা বেগম খামার গাড়াগ্রামের মহুবার রহমানের স্ত্রী।
কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ তাহেরার মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছেন।
গত ২১ আগস্ট রাত ৮টার দিকে ওই গ্রামের বিপ্লব হোসেনের ঘরের উপর পল্লী বিদ্যুতের তার ছিড়ে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় নিহত হন গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে সাজেদুর রহমান (৩০) ও হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান কফিল উদ্দিনের ছেলে তারিকুল ইসলাম (২৮)।
আহত অবস্থায় ১০ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে গত ২৩ আগস্ট নাইম (১৫), ২৭ আগস্ট মোসাব আলী (৬০) এবং সর্বশেষ ৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে তাহেরা বেগম চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
একই ঘটনায় এখনো রংপুরে চিকিৎসাধীন তিনজন। এরা হলেন- বিপ্লব হোসেন (৩০), রেজাউল করিম বাবু (২৬) ও মাজু (২২)।
জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্র জানায়, ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার কারণে টেপারহাট অভিযোগ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ ও লাইনম্যান রুবেল হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
পরের দিন নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক ইনসের আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করে উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। তদন্ত শেষে ঢাকা ফিরে ওই কমিটি উপ মহা-ব্যবস্থাপক মকছেমুল হাকিম ও প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমকেও সাময়িক বরখাস্ত করেন।
জাহেদুল ইসলাম/এএম/এবিএস