নীলসাগর এক্সপ্রেসের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে পাকশীতে!


প্রকাশিত: ০৯:১৭ এএম, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

চিলাহাটি-নীলফামারী-ঢাকা রুটে চলাচল করা আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের শীততাপ নিয়ন্ত্রিত আসনের টিকিট পেতে চিলাহাটি, ডোমার ও নীলফামারীর সাধারণ যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ট্রেনের টিকিট ওই তিন স্টেশনে মজুদ থাকলেও স্টেশন মাস্টাররা ওই টিকিট বিক্রি করতে পারছেন না। ওই টিকিট পেতে পাকশীর বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তার অনুমতির লাগবে। ফলে ঈদ পরবর্তী যাত্রায় ওই ট্রেনের টিকিট সংগ্রহে বিড়ম্বনায় পড়ছেন যাত্রীরা।  

সূত্র মতে, নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ঢাকা চলাচলকারী নীলসাগর এক্সপ্রেস জেলার চিলাহাটি, ডোমার এবং নীলফামারী রেলস্টেশন স্টপেজ রয়েছে। এসব স্টেশনে শীততাপ চেয়ার কোচের আসন ২৯টি এবং স্লিপিং বাথ ১০টি বরাদ্দ রয়েছে।

ঈদ-পরবর্তী যাত্রায় ওই আসনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ ভূঁইয়া। এ কারণে আসন খালি থাকলেও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না স্টেশনে।

জেলা শহরের উকিলপাড়ার মঞ্জুরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ঈদ-পরবর্তী সময়ে ঢাকা যাওয়ার জন্য আমার দুটি টিকিটের প্রয়োজন। এজন্য বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত নীলফামারী স্টেশনে দফায় দফায় যাই। কিন্তু আজও টিকিট পাইনি।

স্টেশন মাস্টার জানান, শীততাপ নিয়ন্ত্রিত টিকিট নিতে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।  ওই কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরে ফোন করে তাকে পাওয়া যায়নি।

একইভাবে টিকিট নিতে এসে ফিরে এসেছেন জেলা শহরের মিজানুর রহমান, কাদিমুল হক, বিজয় চক্রবতী, সুমনসহ অনেকে। তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘আসন খালি থাকলেও এসি আসনের টিকিট দিচ্ছেন না স্টেশন মাস্টার।’

নীলফামারী স্টেশন মাস্টার ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের কারণে ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নীলসাগর এক্সপ্রেস টেনের ওই আসনের নিয়ন্ত্রণ আমার হাতে নেই। মৌখিক আদেশে এসব আসনের টিকিটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (পাকশী) আহসান উল্লা ভূঁইয়া। তিনি পাকশী থেকে যাকে টিকিট দিতে বলছেন আমি তাকেই টিকিট দিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (পাকশী) আহসান উল্লা ভূঁইয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জাহেদুল ইসলাম/এসএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।