তিস্তার ভাঙনের মুখে বিজিবি ক্যাম্প


প্রকাশিত: ১১:৫২ এএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬

তিস্তা নদীতে তৃতীয় দফায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার রাত থেকে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে নীলফামারীর ডিমলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের বাম তীরের-চরখড়িবাড়ী সীমান্তে বিজিপি ক্যাম্পটির ভেতর দিয়ে নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিজিবি ক্যাম্পটি নদী ভাঙনের মুখে পড়েছে।

ক্যাম্পে থাকা সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র, মালামালসহ ক্যাম্পের জওয়ানদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

চরখড়িবাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের দ্বিতল ভবনটি রক্ষার জন্য এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে গাছ ও বাঁশ কেটে পাইলিংয়ের মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, গত দেড় মাস আগেও দুই দফায় তিস্তার ভাঙনে ওই এলাকার আটটি গ্রামের দুই হাজার পরিবারের ভিটাবাড়ি, আটটি বিদ্যালয়, দুটি হাটবাজার, কমিউনিটি ক্লিনিক, রাস্তাঘাটসহ ব্রিজ-কালভার্ট বিলীন হয়। এবার বুধবার রাত হতে তিস্তা নদী পুনরায় গতিপথ পরিবর্তনে চরখড়িবাড়ি বিজিবি ক্যাম্পটি ভাঙনের মুখে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল হতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে বিজিবি ক্যাম্পটি রক্ষার জন্য গাছের গুঁড়ি ও বাঁশের পাইলিংয়ের মাধ্যমে রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে।

চরখড়িবাড়ী বিজিপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার নিজাম উদ্দিন জাগো নিউজকে জানান, ক্যাম্পটি তিস্তা নদীর ভাঙনের মুখে পড়ায় ক্যাম্পের জওয়ানরা সকল মালামাল সরিয়ে এলাকার আনন্দ বাজার নামক স্থানে দুটি ঘরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানে তিস্তা নদীর গতিপথ পরিবর্তনে বিজিবি ক্যাম্পের উত্তর ও দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

৭ বিজিবির অধিনায়ক মেজর মুহিত জানান, খবর পেয়ে ওই এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ভাঙন রোধের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করা হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজার রহমান বলেন, জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

জাহেদুল ইসলাম/এআরএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।