অতিরিক্ত বোঝাইয়ের দায়ে ৭টি নৌযানকে জরিমানা
সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মালামাল বোঝাই করে চলাচলের দায়ে সাতটি নৌযানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রম্যমাণ আদালত।
শনিবার মংলা বন্দর ও সুন্দরবন এলাকায় নৌযানের ফিটনেস ও ওভার লোডিংয়ের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান চলাকালে এ জরিমানা করা হয়।
জরিমানাকৃত নৌযানগুলো হচ্ছে, মের্সাস খালিদ ব্রাদারসের এম ভি সোনাকিয়া এম (৭৯৭৮), মের্সাস বি আর নেভিগেশনের এম ভি পানপানজাব-৪ এম (১৪০৯১), মেসার্স আলি জেন্ট শিপিং লাইনের এম ভি সাহিদা এম (১৩৪৫৮৬), মেসার্স খান শিপিং লাইন-এম ভি ষাট গম্বুজ এম (১৩০২৪), মেসার্স আমিন শামিম শিপিং লাইনের এম ভি এম (১০০৪), মেসার্স গোলরাজ শিপিং লাইনের এম ভি হিজবুল ওহাব এম (১০৬১৯), মেসার্স মোরল শিপিং লাইনের এম ভি ইব্রাহিম খলিল এম (১৩০২৪)।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ ও মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকীর নেতৃত্বে দিনব্যাপী এ অভিযান চালানো হয়। এতে সহযোগিতা করে মংলাস্থ কোস্টগর্ড পশ্চিম কোনের একটি ইউনিট।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ জানান, সুন্দরবনে প্রায়ই নৌযানডুবির ঘটনা ঘটছে। এ সকল দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, দুর্ঘটনা কবলিত বেশিরভাগ নৌযানই তাদের ধারণক্ষমতার মাত্রাতিরিক্ত মালামাল বোঝাই করে চলাচল করে। ফলে সম্প্রতি সময়ে দুর্ঘটনার পরিমাণ বেড়েছে।
এর পেক্ষিতে শনিবার বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক জনাব তপন কুমার বিশ্বাসের নির্দেশে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের সহায়তায় নৌযানের ফিটনেস ও ধারণক্ষমতার অধিক মালামাল বোঝায়ের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়।
অভিযান চলাকালে ধারণক্ষমতার দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণ বেশি মালামাল বোঝাই করার অপরাধে অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ অনুযায়ী ৭টি নৌযানকে সর্বমোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি যেসব নৌযানের সার্ভে সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য কাগজপত্রে সমস্যা আছে তাদের সতর্ক করে আগামী ১ মাসের মধ্যে কাগজপত্র নবায়নের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী জানান, দীর্ঘদিন পর মংলা বন্দরে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হলো। সুন্দরবন সুরক্ষায় এবং নিরাপদ নৌপথ নিশ্চিতে এখন থেকে নিয়মিত জেলা প্রশাসনে এ ধরণের অভিযান পরিচালনা করবে।
শওকত আলী বাবু/এএম/এমএস