যশোরে বিল্লাল হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন


প্রকাশিত: ০১:৩৩ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

যশোর শহরের বারান্দীপাড়ার বিল্লাল হোসেন হত্যা মামলায় ৪ জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিকেলে এক রায়ে স্পেশাল জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এই রায় প্রদান প্রদান করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে শরিফুল ইসলাম জিতু, তাকিয়ার রহমানের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন ওরফে আব্দুর রহমান, বারান্দীপাড়া বটতলার লুৎফর রহমান বাবুর ছেলে শফিয়ার রহমান শফি ও শহরতলীর ঝুমঝুমপুর উত্তরপাড়ার আবু তাহেরের ছেলে মিঠু। সাজাপ্রাপ্ত শরিফুল ইসলাম জিতু বাদে সকল আসামি পলাতক রয়েছে।

আদালত সূত্র মতে, ২০০৮ সালের ৯ জুন সন্ধ্যায় আসামি শফি বাড়ি থেকে বিল্লালকে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে আসামি শফি নিহত বিল্লালের বাড়িতে সংবাদ দেয় জিতু, সাখাওয়াত ও মিঠু তাকে মদ খাওয়ায়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
 
পরদিন নিহতের বাবা হেলাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৪ জনকে অভিযুক্ত করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০০৯ সালের ১৮ জানুয়ারি মামলার তদন্ত শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই ৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হারেস শিকদার।

এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় বিচারক আসামি জিতু, সাখাওয়াত, শফি ও মিঠুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো ২ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।
 
এদিকে যশোরে মাদক মামলায় হামিদা খাতুন নামে এক মহিলাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। হামিদা বেনাপোলের ভবের বেড় গ্রামের নাসির উদ্দিনের স্ত্রী।

বুধবার অতিরিক্তি দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক নিলুফার শিরিন এক রায়ে এ সাজা দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ৩০ জুন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বেনাপোল সার্কেলের পরিদর্শক সালিমুল্লাহ ঝিকরগাছার বেনেয়ালি গ্রামের শাহাজান মোড়লের ইটভাটায় অভিযান চালান। এসময় সামনের রাস্তায় বাসের জন্য অপেক্ষমান যাত্রী হামিদা খাতুনকে আটক ও তার হাতে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে ২৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ব্যাপারে ঝিকরগাছা থানায় আটক হামিদা খাতুনকে সোপর্দ করে মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা করেন পরিদর্শক সলিমুল্লাহ।

মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামি হামিদার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত হামিদা খাতুন কারাগারে আটক রয়েছেন।

মিলন রহমান/এমএএস/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।