পর্যায়ক্রমে রেলে আরো জনবল নেয়া হবে : রেলমন্ত্রী


প্রকাশিত: ১২:০৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬

দীর্ঘদিন নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় রেলওয়ে কারখানার উৎপাদনসহ সব ক্ষেত্রে স্থবিরতা বিরাজ করছিল। ইতোমধ্যে রেলওয়ের বিভিন্ন বিভাগে সাড়ে আট হাজার জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মামলার জটিলতা এড়িয়ে পর্যায়ক্রমে আরো জনবল নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পকির্ত স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে কারখানা পরিদর্শন শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঢাকার কমলাপুর আইসিডির আদলে প্রথমে গাজীপুরের ধীরাশ্রম ও পর্যায়ক্রমে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনপদে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) স্থাপন করা হবে।

এসময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সদস্য খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মোসলেম উদ্দিন, আলী আজগর, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও সিরাজুল ইসলাম মোল্লাসহ রেলওয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নীলফামারী-৪ আসনের এমপি আলহাজ শওকত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর রেলকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। রেলকে আধুনিকায়ন ও গতিশীল করতে নেয়া হয়েছে অনেক মেগা প্রকল্প। কারখানার আধুনিকায়নের জন্য ভারত সরকারের অর্থায়নে তিনটি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা একটি আধুনিক কারখানায় পরিণত হবে।

এসময় রেলপথমন্ত্রী পশ্চিমাঞ্চলের জন্য ৫০টি ব্রড গেজ (বিজি) এবং ৫০টি মিটার গেজ (এমজি) যাত্রীবাহী ক্যারেজ পুনর্বাসন প্রকল্প ও সৈয়দপুর রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ জমি পরিদর্শন করেন।

পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ের সভাকক্ষে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ২৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী।

এর আগে রেলওয়ে কারখানায় এসে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুলের তোড়া দিয়ে শহীদদের প্রদি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রেলপথমন্ত্রী মজিবুল হকসহ সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদসদ্যরা। কারখানা পরিদর্শন শেষে তারা রেলওয়ে কারখানার পরিত্যক্ত পাওয়ার হাউস, যা ১৯৯২ সালে পানির দামে কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রাংশ বিক্রি করা হয় সেটিসহ বেসরকারিভাবে ট্রেনের বগি তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার তানজিলুর রহমান, সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ আসনের এমপি আলহাজ শওকত চৌধুরী, সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্বাস আলী সরকার, সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন বাদল, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও রেলওয়ে কারখানা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোখছেদুল মোমিন, রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান ও সৈয়দপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল ইসলামসহ প্রমুখ।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) নুর আহমেদ হোসেন পরিদর্শন টিমকে কারখানা সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় অবহিত করেন। এরপর রেলওয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।

জাহেদুল ইসলাম/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।